নিজের পুত্রসন্তান না থাকায় নাতি হওয়ার আনন্দে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন নানা। ঘটনাটি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামের।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে এই আনন্দ অনুষ্ঠান।
মো. হান্নানের কোনো ছেলেসন্তান নেই। একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন একই ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে।
মেয়ে পান্না খাতুন ও জামাই মনির হোসেনের ঘরে একটি কন্যাসন্তান জন্মের দীর্ঘ ১২ বছর পর পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। এতে আনন্দের শেষ নেই নানা হান্নানের।
৭ মাস বয়সি নাতি আব্দুর রহমান বিন মুসালিনকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে নিজ গ্রাম থেকে জামাইয়ের গ্রাম পর্যন্ত নাচ-গানের সঙ্গে সঙ্গে ঘুরিয়ে ৩ হাজার পিস মিষ্টি বিতরণ করেন তিনি।
এতে করে গ্রামবাসী ও ঘোড়ার গাড়ির বহরে থাকা স্বজনেরা খুশি প্রকাশ করেন।
গ্রামবাসী বলেন, একটি ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত তারা।
শিশুর মা মোছা. পান্না খাতুন বলেন, ‘আমার মেয়েসন্তান জন্ম নেওয়ার ১২ বছর পর পুত্রসন্তান জন্ম নিয়েছে। সেই আনন্দে আমার বাবা ঘোড়ার গাড়িতে গ্রাম ঘুরিয়ে ও মিষ্টি বিতরণ করে উৎসব করছেন। আপনারা সবাই আমার ছেলে-মেয়ে ও আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’
শিশুর নানা মো. হান্নান বলেন, ‘আমার কোনো পুত্রসন্তান নাই। মহান আল্লাহ তাআলা আমাকে একটি নাতি উপহার দিয়ে আমার মনের আশা পূরণ করেছেন। সে জন্য স্বজন ও গ্রামবাসীদের নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করছি ‘
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

