ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় অতি নিকটে। কুড়িগ্রাম-২ আসনের এলাকা ফুলবাড়ী, রাজারহাট ও কুড়িগ্রাম সদর মিলে তিন উপজেলায় মাঘের তীব্র ঠাণ্ডাকে উপেক্ষা করে শেষ সময়ে নির্বাচনি মাঠ উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে।
সংসদীয় আসনটির প্রার্থী ও সমর্থকদের শেষ সময়ে যেন সবার ঘুম হারাম। তারা স্ব-স্ব প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের টানতে কোমর বেঁধে শেষ বারের মতো আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। একটি বাড়িতে দফায় দফায় ভোটের জন্য যাচ্ছেন। নারী-পুরুষ মিলে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন মনেপ্রাণে।
এই আসনের মোট ভোটার হচ্ছে মোট ৬ লাখ ৪ হাজার ৭৩৬ জন ভোটারের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে। এই বিপুলসংখ্যক ভোটারের মধ্যে এখানে পুরুষ ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৮৮ জন।
নারী ভোটার রয়েছে ৩ রাখ ৪ হাজার ৮৬১ জন্য। হিজড়া ভোটার রয়েছে ৭ জন। ফুলবাড়ী, রাজারহাট ও কুড়িগ্রাম সদর মিলে তিন উপজেলার ২০৫ টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটটি অনুষ্ঠিত হবে।
এই সংসদীয় আসনটিতে অর্ধ-ডজনেরও বেশি প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এখানে তীব্র ভোটযুদ্ধ হবে দুই প্রার্থীর মধ্যে। কুড়িগ্রাম-২ আসনের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ (ধানের শীষ) ও জামায়াত জোট ১১ দলীয় প্রার্থী, এনসিপির ড. আতিক মুজাহিদ (শাপলা কলি)।
এরমধ্যে এখানে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর ভোট অনেকটা সমান সমান অবস্থান দেখা গেলেও, দুই প্রার্থীর ভোট বোনাসের ভাগ্য নির্ধারণ করবে নারী ভোটাররা। নারী ভোটারের সংখ্যা গরিষ্ঠতা ও ভোট প্রয়োগের একনিষ্ঠতা এখানে একটি ফ্যাক্ট বলে মনে করা হচ্ছে।
নারীরা দুই প্রার্থীর মধ্যে যার পক্ষে ভোট বেশি দেবেন তিনিই এ আসনে বিজয় হবেন এমন ধারণা করছেন স্থানীয় সচেতন ভোটাররা। তবে, এ আসনে হিন্দু সম্প্রদায় ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ তৃণমূল পর্যায়ের আওয়ামী লীগের কর্মী, সমর্থকরা ভোট দিতে গেলে কিছু ভোট বিজয়ের জন্য যোগ হবে এমন ধারণা করা হচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

