লালপুরে তাপমাত্রা ৩৮.২ ডিগ্রি: ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন

উপজেলা প্রতিনিধি, লালপুর (নাটোর)

লালপুরে তাপমাত্রা ৩৮.২ ডিগ্রি: ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন
ছবি: আমার দেশ

জ্যৈষ্ঠের দাবদাহে যেন আগুন ঝরছে নাটোরের লালপুরে। তাপমাত্রা ৩৮.২। প্রখর রোদ, গরম বাতাস আর ভ্যাপসা আবহাওয়ার কারণে জনজীবন হয়ে উঠেছে চরম দুর্বিষহ।

কয়েক দিন ধরে চলমান তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবী, কৃষিশ্রমিক ও দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল ৩টায় লালপুর অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫০ শতাংশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন।

দেশের অন্যতম উষ্ণ জনপদ হিসেবে পরিচিত লালপুরে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। তীব্র রোদে মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেক শ্রমিক ক্লান্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অবিরাম ঘামে ভিজে যাচ্ছে শরীর, আর বিদ্যুৎচালিত পাখার বাতাসেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক দিন ধরে গরমের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। দিন ও রাত-দুই সময়েই গরমের দাপট অব্যাহত থাকায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। অনেক পরিবারে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুরুজ্জামান শামীম পরামর্শ দিয়েছেন , “তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজন ছাড়া দুপুরের প্রখর রোদে বাইরে না যাওয়াই ভালো। পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ, ছায়াযুক্ত স্থানে অবস্থান এবং শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি।”

এমএইচ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন