সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের মুনিরগাঁতি নোয়াগাঁও গ্রামে সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামে চলমান একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় কয়েকজন সংবাদকর্মী ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এ সময় স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল। একপর্যায়ে কিরণ মিয়া ও লিয়াকত মিয়ার মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে তা দ্রুত উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন কিরণ মিয়া (৪০), কাওসার আহমদ (২৫), রহমত আলী, আহমদ আলী (২৮), নুর আলী (৫৫), রুয়েল আহমদ (২০), আকরাম আলী (২২), লিয়াকত আলী (৪২), রফিক মিয়া (৩০), উকিল মিয়া (৩০) ও জুনেদ আহমেদ (৩২)সহ আরও কয়েকজন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় পাঁচজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আখলু মিয়া বলেন, সড়কের কাজ পরিদর্শনে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তার ভাই কিরণ মিয়া সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় লিয়াকত মিয়া কিরণ মিয়াকে গালিগালাজ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তবে লিয়াকত মিয়া ভিন্ন দাবি করে বলেন, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করতে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। সে সময় কিরণ মিয়া তাদের আলোচনায় বাধা দেন। পরে এ নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটে।
ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রপু মিয়া বলেন, “ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। কী কারণে সংঘর্ষ হয়েছে, তা এখনও বিস্তারিত জানতে পারিনি।”
এ বিষয়ে ছাতক থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

