পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফরচুন সুজকে অবন্টনকৃত নগদ লভ্যাংশ বিতরণ এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তিন বছরের লিস্টিং ফি পরিশোধে আল্টিমেটাম দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লভ্যাংশ বিতরণ ও লিস্টিং ফি পরিশোধে ব্যর্থ হলে কোম্পানিটির চেয়ারম্যানসহ পরিচালকদের মোট ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। এরমধ্যে চেয়ারম্যানকে এককভাবে দিতে হবে ৫ কোটি টাকা।
মঙ্গলবার বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ বুধবার বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ‘ফরচুন সুজ লিমিটেড’ ২০২২ সালের ৩০ জুনে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ৫ শতাংশ বোনাস ঘোষণা করে। কোম্পানিটি মোট ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার নগদ লভ্যাংশের মধ্যে ৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকার নগদ লভ্যাংশ পরিশোধে ব্যর্থ হয়। একইসাথে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত পূর্ববর্তী ৩ বছরের লিস্টিং ফি বাবদ ১৮ লাখ ২৯ হাজার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়।
কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আদেশ জারির পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত অপরিশোধিত নগদ লভ্যাংশ এবং লিস্টিং ফি পরিশোধ করতে হবে। পরিশোধে ব্যর্থ হলে ফরচুন সুজের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমানকে ৫ কোটি টাকা, পরিচালক আমানুর রহমান, পরিচালক রবিউল ইসলাম, সাবেক পরিচালক মো. খসরুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুখসানা রহমান প্রত্যেককে ৫০ লাখ টাকা করে জরিমানা এবং কোম্পানির প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা জামিল আহমেদ চৌধুরীকে ১০ লাখ টাকা, কোম্পানির সাবেক সচিব রিয়াজ উদ্দিন ভূইয়া ও বর্তমান সচিব মো. নাজমুল হোসেন প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা দিতে হবে।
বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হওয়ায় ও সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গের দায়ে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

