রাজধানীতে শীর্ষসন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই শীর্ষসন্ত্রাসী জোসেফের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন গোয়েন্দারা। জোসেফ পূর্বশত্রুতার জেরে টিটনকে হত্যা করেছে বলে ধারণা পুলিশের।
নব্বই দশকে ঢাকায় সেভেন স্টার ও ফাইভ স্টার গ্রুপ আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস ছিল। ফাইভ স্টার গ্রুপের অন্যতম শীর্ষে ছিলেন টিটন। ওই সময় সেভেন স্টার গ্রুপকে কোণঠাসা করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছিলেন তিনি।
পুলিশের ধারণা, টিটন জেল থেকে বের হওয়ার পরই তাকে হত্যার টার্গেট করেছিল জোসেফ গ্রুপ। আগের খুনের প্রতিশোধ নিতেই টিটনকে হত্যা করা হয়। কিলিং মিশন সম্পন্ন করতে কলকাঠি নাড়ানো হয় সুইডেন থেকে। জোসেফ সুইডেনে অবস্থান করছে। কিলিং মিশন সম্পন্ন করার টাকা এসেছে সেখান থেকে।
এদিকে অডিওবার্তায় আরেক শীর্ষসন্ত্রাসী পিচ্চি হেলাল দাবি করেন, টিটন হত্যার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। হত্যার সঙ্গে টিটনের ভগ্নিপতি আরেক শীর্ষসন্ত্রাসী ইমন জড়িত। তিনি বলেন, টিটনের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই, একটি পক্ষ আমাকে জড়ানোর চেষ্টা করছে। যারা এ কাজ করছে, তারা আমার প্রতিপক্ষ।
ডিবি জানিয়েছে, এ ঘটনায় খুনিদের এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। খুনিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় কাউকে আটকও করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাস্থলের একাধিক সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পুলিশ খুনিদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।
গত মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় টিটনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন গত বুধবার সকালে অজ্ঞাতনামা ৮-৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আমার দেশকে জানান, নিউ মার্কেটের ঘটনায় এখনো কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

