মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিএসসিসির উদ্যোগেরোববার সিটি করপোরেশনের ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, মশক নিয়ন্ত্রণে আমরা আজ থেকে মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছি। এ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে চার স্তরে (ওয়ার্ড পর্যায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/সচিব পর্যায় এবং প্রশাসক পর্যায়) নিবিড় তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় ইমামদের সম্পৃক্ত করা হবে এবং মাইকিং কার্যক্রম চলবে। তবে নাগরিকরা সচেতন না হলে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস না করলে অঞ্চলভিত্তিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের এই সেবা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, অপেক্ষাকৃত অনুন্নত ও নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলোতে সিটি করপোরেশনের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত খালগুলো উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে সিটি করপোরেশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রায় ২৫০ কর্মী অংশ নেন। তারা খাল, ড্রেন, নর্দমা ও ফুটপাত পরিষ্কারের পাশাপাশি মশার ওষুধ প্রয়োগ করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও ‘বিডি ক্লিন’ সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি জনসচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ বিভাগীয় প্রধান ও স্থানীয় নেতারা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

