পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে তার আইনজীবীর শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে মানবতারিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামি জুনাইদ আহমেদ পলককে আজ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
পলকের পক্ষে শুনানি করবেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। পলাতক থাকায় জয়ের হয়ে লড়বেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম।
গত ১১ জানুয়ারি কিছু আবেদনসহ শুনানির জন্য আজকের দিন পর্যন্ত সময় চান পলকের আইনজীবী। এর মধ্যে অন্যতম ছিল নিজের মক্কেলের সঙ্গে প্রিভিলেজ কমিউনিকেশন। পরে তার আবেদনটি মঞ্জুর করেন আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রসিকিউশনের চার্জ গঠন প্রশ্নে শুনানিসহ আসামিদের ডিসচার্জ (অব্যাহতি) চেয়ে আবেদন করবেন তারা।
দুই আসামির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।
প্রথম অভিযোগে বলা হয়, জয়ের কথামতো ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরপর তিনটি পোস্ট করে উসকানি দেন পলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী।
দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, উভয়ের পরামর্শে ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা দেন জয় ও পলক। একই সঙ্গে হত্যায় সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় শহীদ হন রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন।
তৃতীয় অভিযোগ বলা হয়, উত্তরায় ৩৪ হত্যায় সহায়তা করেন আসামিরা। তাদের উসকানি ও প্ররোচনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলায় ছয় বছরের জাবির ইবরাহিম, সাগর হোসেন, সুজনেরা শহীদ হন।
আসামিদের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ গঠনের বিষয়ে ১১ জানুয়ারি শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ওই দিন তিনটি চার্জই পড়ে শোনান তিনি। একই সঙ্গে দুই আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


পরিচালক নাজমুলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বিসিবির