জুডিশিয়াল কিলিংয়ের শিকার জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর পুত্র ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমান বলেছেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অদন্তপ্রহরী দেশের সেনাবাহিনী। যতদিন পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব থাকবে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বও অটুট থাকবে। এটা জেনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা গুমের মত মানবতাবিরোধী অপরাধে সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যদের ব্যবহার করেছিলো। উদ্দেশ্য ছিল সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব নষ্ট করা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে অরক্ষিত করে দিয়েছিলেন তিনি।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ র্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই) গুমের মামলার জবানবন্দি শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
আরমান বলেন, গুমের একজন ভূক্তভোগী হিসেবে আমার প্রত্যাশা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার হবে সবচাইতে পবিত্র জিনিস। এই অধিকার আদায়ে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী হবে সবচাইতে সম্মানিত এবং বাংলাদেশের মানুষের সর্বশেষ আস্থার স্থল। আমার আহ্বান, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র বাহিনীকে যে পবিত্র স্থানে আছে, যেন আর কেউ কোনদিন অপব্যবহার না করে। যে যত ক্ষমতাধর ব্যক্তি হোক, যত ক্ষমতাধর দল হোক, যত পরাশক্তির সাথে তার যত যোগাযোগই থাকুক না কেন, বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আর কেউ কোনদিনই নষ্ট করতে পারবে না। এটাই আমাদের লক্ষ্য। এই বিচারের মাধ্যমে আমরা যেন তা অর্জন করতে পারি।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে আরমান বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান আমাদের যে অধিকার দিয়েছে, সেই অধিকার যদি কেউ কেড়ে নেন, সংবিধান অনুযায়ী এটা রাষ্ট্রদ্রোহ।
আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে টিএফআই সেলে গুম ও নির্যাতনের মামলায় হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। এই মামলায় ১০ জন সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার রয়েছেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

