সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার আবেদেন করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।
গত ৯ এপ্রিল এই আবদেন মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনাল ১। কিন্তু ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসারর আবেদন করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে আদলাতের কাছে এই আদেশ বাতিলের আবেদন করেন।
বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে সাবেক মন্ত্রী কামরুলের এভারকেয়ারে চিকিৎসার অনুমতির আদেশটি বাতিল করে ট্রাইব্যুনাল ১। একইসঙ্গে কামরুল ইসলামের আইনজীবীদের এ বিষয়ে ১৫ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ১৫ দিন কামরুল বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন থাকবেন।
এবিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল বলেন, গত ৯ এপ্রিল কামরুল ইসলামের আইনজীবীরা তার উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ারে চিকিৎসা প্রদানের আদেশ চেয়ে আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করে। ওইদিন আমি উপস্থিত ছিলাম না। পরবর্তীতে নোটিশে আসলো এভারকেয়ার হসপিটালে তার চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনাল থেকে একটা আদেশ হয়েছে।
তাৎক্ষণিকভাবে যেটা মনে হলো এভারকেয়ার হসপিটালে আমাদের কোন প্রিজন সেল নাই। চিকিৎসা নিতে গেলে একটা স্পেশাল অর্ডার লাগে বা সেখানে খরচ কে বহন করবে এরকম কিছু থাকে কিন্তু সে আদেশের মধ্যে এরকম কোন কিছুই ছিল না।
কামরুল ইসলাম জেল হাজতে থাকলেও সিঙ্গাপুরে ও কেরানীগঞ্জে চিকিৎসা নিয়েছেন এমন কাগজপত্র সাবমিট করেছেন তার আইনজীবীরা। যে কাগজপত্রগুলো আমাদের কাছে একটু সন্দেহজনক মনে হয়েছে।
তাৎক্ষণিকভাবে গত পরশুদিন আমরা এটা ট্রাইব্যুনালের নোটিশে আনলাম এবং রিভিউ করার জন্য আমরা একটা অ্যাপ্লিকেশন দিলাম। আজকে অধিকতর শুনানি হয়েছে, শুনানির পরে সেই আদেশটাকে বাতিল করেছে ট্রাইব্যুনাল। এটার একটা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য আইনজীবীদের ১৫ দিনের মধ্যে তাদের একটা সুযোগ দিয়েছে।
এলআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

