ফেলানী হত্যা দিবসে ভারতীয় বাহিনী দ্বারা সীমান্তে হত্যা ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাবি শাখা।
মঙ্গলবার রাত ৮টায় বটতলা থেকে মিছিল শুরু হয়। পরে শহীদ মিনারের পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় বক্তারা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ভারতের সাথে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে অন্তবর্তী সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানান।
সদস্যসচিব তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম বলেন, চব্বিশের আন্দোলন শুধু হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই ছিল না, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধেও ছিল। ৫ আগস্ট হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে আমরা ভারতীয় আধিপত্যবাদের গালে চপেটাঘাত করেছি। স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই ভারত সরকার যদি এখনও বাংলাদেশকে তার অঙ্গরাজ্য মনে করে তাদের এর উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে। বিগত সরকারের আমলে যতগুলো চুক্তি হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারকে সেগুলো জনগণের সামনে আনতে হবে। সীমান্তে প্রত্যেকটি হত্যার বিচার করতে হবে। তা নাহলে বাংলাদেশের মানুষ আবার ফুঁসে উঠবে।
সমাপনী বক্তব্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, শুধু ফেলানি হত্যা নয় এরকম শত শত হত্যার বিচার বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার করে নেই। যার কারণে বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আগামীদিনে সীমান্তে আর কোন হত্যাকাণ্ড দেখতে চাই না। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে ভারত বাংলাদেশের ওপর সবসময় আধিপত্যবাদী মনোভাব দেখিয়েছে। আমরা ছাত্রজনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করেছি। ফ্যাসিস্ট আমলের পররাষ্ট্রনীতি ছুড়ে ফেলতে হবে। তাহলে ভারত আর এই আধিপত্যবাদী মনোভাব দেখাতে পারবে না। আজকে আমরা ফেলানী হত্যার জন্য দাঁড়িয়েছি।আর যেন কোন ভাইবোনের জন্য দাঁড়াতে না হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

