শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্র ফেডারেশনের আহ্বায়ক আরমানুল হক। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে শিবিরের কোনো সম্পৃক্ততা নেই, ছিল না। এনটিসিবির সামনের ঘটনায় আমি আমার জায়গা থেকে বলেছিলাম হামলায় শিবিরের সম্পৃক্ততা ছিল। শিবির সেটার পাল্টা জবাবে আমাকে শিবির বলেছে।
গত বুধবার মতিঝিলে এনসিটিবির সামনে স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টির সদস্যদের দ্বারা সংক্ষুব্ধ পাহাড়ি ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় উসকানিদাতা বলে আরমানুল হকের দিকে অভিযোগ উঠে। এরপর অনেকেই তাকে সাবেক শিবিরের সাথী বলেও আলোচনার জন্ম দেয়।
তবে আরমানুল হক নিজেকে শিবিরের সাবেক সাথী বলতে অঘোষণা করলেও কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন শাখার ২০১৫ সালের সভাপতি মুহাম্মদ জুনাইদ বলেন, ২০১৫ সালের দিকে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন শাখার শিবিরের সাথী ছিলেন আরমানুল হক। শিবিরের নিয়ম না মানায় মুলতবি দেওয়া হয় আরমানুল হককে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৪-১৫ সালে আরমানুল হক শিবিরের সাথী ছিল। আমার তত্ত্বাবধানেই থেকেই সে শিবিরের সাথী হয়৷ তবে পরে সে পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ে।
ঢাবি শাখা শিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ বলেন, স্কুল পর্যায়ে ছাত্রশিবিরের কার্যক্রমে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই ছাত্রশিবিরের সাথে যুক্ত হয় কিন্তু পরবর্তী সময়ে আদর্শিক পদস্খলন হলে তারা ভিন্ন পথে পরিচালিত হয়, কখনো কখনো তাদের সাংগঠনিক পদও বাতিল করা হয়। আমরা শুনেছি, আরমানুল হক তার এলাকায় শিবিরের সাথে সাময়িক যুক্ত ছিলেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তার সাথে ছাত্রশিবিরের কোনো যোগাযোগ হয়নি।
তিনি আরও বলেন, আরমানুল হকের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তার কোন কর্মকাণ্ডের দায়ভার ছাত্রশিবির নিবে না। তার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের কোন সংযোগ নেই।
এর আগে মোহাম্মাদ ইশরাক নামে একজন ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে আরমানুল হকের শিবিরের সাথী ও তার বাবা জামায়াতের নেতা বিষয়টি জানানো হয়৷ এরপরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

