ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনি কোটা বাতিল করা হয়েছে। ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় এ কোটা বাতিল করা হয় বলে জানিয়েছেন উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান।
শনিবার ঢাবির কলা ভবন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, এবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষায় শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা রাখা হয়েছে। আমরা এই বিষয়টিকে যৌক্তিক সংস্কার হিসেবেই দেখছি। ভর্তি পরীক্ষায় কোটার যৌক্তিক সংস্কার করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা একটি সার্বজনীন বিশ্ববিদ্যালয় করতে চাই।
এ সময় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এই ইউনিটে ২ হাজার ৯৩৪ টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫০০জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে মানবিক শাখায় ১ হাজার ৭০৭টি আসনের বিপরীতে ৫৫ হাজার ১৬৫জন, বিজ্ঞান শাখায় ৯৪৪টি আসনের বিপরীতে ৫৬ হাজার ৩৩০জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ২৮৩টি আসনের বিপরীতে ১৪ হাজার ৫ জন আবেদন করেন।
ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কেন্দ্রসমূহ হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিশাল এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
এর আগে গত ৪ জানুয়ারি চারুকলা ইউনিটের (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও আগামী ০৮ ফেব্রুয়ারি ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’ এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

