২০২৫ সালের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয়পত্র বইয়ের প্রচ্ছদে ‘আদিবাসী’ শব্দটি রাখা ও বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কার্যালয়ের সামনে ‘স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টি’ ও ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্র-জনতা’ সংঘর্ষের ঘটনায় দু'পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি কার্যালয়ে (ডুজা) এক সংবাদ সম্মেলনে ‘আদিবাসী’দের দ্বারা 'স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টি’ আক্রান্ত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টির আহ্বায়ক জিয়াউল হক।
অন্যদিকে এই হামলার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে 'স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি'র ওপর অভিযোগের তীর ছুড়ছে ছাত্র-জনতা।
সংবাদ সম্মেলনে স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টির আহ্বায়ক জিয়াউল হক বলেন, আজকে আমরা দুপুর ১টার দিকে এনসিটিবি ভবনে যাই। এরপর আমাদের ছয় সদস্যের একটি দল আলোচনার জন্য এনসিটিবির ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে আমাদের জানানো হয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে আসছে আপনারা দ্রুত শেষ করেন। আমরা তাড়াহুড়া করে আলোচনা শেষ করে নিচে নেমে দেখি দুপক্ষের সংঘর্ষ বেঁধে গেছে। আদিবাসী ছাত্র ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি অলীক মৃ এর নেতৃত্বে তারা প্রথম আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের ১৬ জন আহত হয়।
তিনি আরো বলেন, পুলিশ আমাদের সরিয়ে দিলে আমরা আহতদের নিয়ে মুগদা মেডিকেল হাসপাতালে যাই। স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি কোনো নারী শিক্ষার্থীর ওপর হামলা করেনি। বরং তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
এদিকে স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টি আক্রমণ চালিয়েছে উল্লেখ করে সংঘর্ষে আহত ঢাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ববি বিশ্বাস বলেন, স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি আগে থেকেই এনসিটিবির আশেপাশে ছিল। আমরা সেখানে যাওয়া মাত্রই তাদের কয়েকজন ছাত্র আমাদের ওপর বাঁশের লাঠি নিয়ে হামলা করে। তাদের অনেক স্টুডেন্ট আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। সবকিছু ই তাদের প্ল্যান করা।
সন্ধ্যায় হামলার এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবিতে মশাল মিছিল করে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

