কিউএস বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার

কিউএস বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) প্রকাশিত ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং টু থাউজেন্ড টোয়েন্টি সেভেন : টপ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিস’ তালিকায় টানা তৃতীয়বারের মতো দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। একই সঙ্গে বিশ্বের সেরা ৬০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও অবস্থান ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়ে বিশ্বের মোট এক হাজার ৫০৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়নের আওতায় আনা হয়। ৯টি পৃথক সূচকের ভিত্তিতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ১০০ স্কোর নির্ধারণ করে গড় স্কোর অনুযায়ী চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ বছর সামগ্রিকভাবে ২৮ দশমিক তিন স্কোর অর্জন করেছে। একাডেমিক সুনাম সূচকেও বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কোর ২৮ দশমিক তিন, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় এর দীর্ঘদিনের অবদানের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কর্মসংস্থান ফলাফল সূচকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। এ সূচকে ৯৫ স্কোর অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রমাণ করেছে, প্রতিষ্ঠানটির স্নাতকরা কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের দৃষ্টিতে সুনাম সূচকে ৫০ দশমিক আট স্কোর অর্জন শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক ভাবমূর্তির ইঙ্গিত দেয়।

গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রগতি ধরে রেখেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক সূচকে ৬১ দশমিক এক স্কোর অর্জন আন্তর্জাতিক গবেষণা অংশীদারত্ব বৃদ্ধির প্রতিফলন। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন সূচকে ৬০ দশমিক ছয় স্কোর বিশ্ববিদ্যালয়টির পরিবেশগত ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে।

তবে কিছু সূচকে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। সাইটেশনস পার ফ্যাকাল্টি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কোর আট। আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাত সূচকে দুই এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাত সূচকে এক দশমিক চার স্কোর অর্জন আন্তর্জাতিকীকরণের ক্ষেত্রে আরো উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ধারাবাহিকভাবে দেশের শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখা এবং বৈশ্বিক তালিকায় অবস্থান বজায় রাখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও নীতিগত অগ্রগতিরই প্রতিফলন। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে আরো প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে যেতে গবেষণা প্রকাশনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত এবং বৈদেশিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন