এ বছর আলহাজ গোলাম হোসেন স্মৃতি বৃত্তি পেয়েছেন ৮০ মেধাবী শিক্ষার্থী। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের ১৩ শত শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জেএএম সংস্থার উদ্যোগে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষা শেষে বিকেলে বিদ্যালয় মাঠে পরিচিতি, শিক্ষা সেমিনার ও সুধী সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেএএম সংস্থার উপদেষ্টা, বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী ।
তিনি বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল কিংবা বৃত্তি অর্জনই শিক্ষার্থীদের সাফল্যের শেষ মাপকাঠি নয়। তাদের মেধা, জ্ঞান, দক্ষতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রবীণ শিক্ষাবিদদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান নতুন প্রজন্মের কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি বলেন, বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবীদের পাশাপাশি সম্ভাবনাময় ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদেরও দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার আওতায় আনতে হবে। মেন্টরশিপ, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার মাধ্যমে তাদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
সুধী সভায় প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর এস এম নছরুল কদির বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু গতানুগতিক পাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে। এতে সীতাকুণ্ডের শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রস্তুত করার সুযোগ পাবে।
সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নজির আহমদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা বলেন, অবসর নিলেও প্রবীণ শিক্ষাবিদদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা শেষ হয়ে যায় না। তাদের মেন্টর হিসেবে কাজে লাগানো গেলে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার নির্বাচনে বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা পাবে।
সভায় প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা অনুরাগীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

