প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার মতো একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে এমন নাম প্রকাশ থেকে সবাইকে বিরত থাকা উচিত। আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলেই কেবল তাকে নিয়ে নিশ্চিতভাবে কথা বলা সমীচীন।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সম্মেলন কেন্দ্রে সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চিফ প্রসিকিউটর একজন সাংস্কৃতিক কর্মীর সম্পৃক্ততার বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন মহলে অনেকের নাম অনুমান করে বলা হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে তিনি মনে করেন, তদন্তের এই পর্যায়ে কারো নাম প্রকাশ করা উচিত নয়।
জাহেদ উর রহমান বলেন, রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করবে এবং সংশ্লিষ্ট করো বিরুদ্ধে অভিযোগ বা চার্জ গঠন হলে তখনই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলা উচিত। তদন্তে কারো সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেলেই তাকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার শাসনামলে কোনো ব্যক্তির সক্রিয়তা তার কাছে গুরুতর অপরাধ বলে মনে হলেও সেটিকে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মতো একটি ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে প্রমাণের বিষয়টিই চূড়ান্ত বিবেচ্য হওয়া উচিত।
উপদেষ্টা আরো বলেন, আলোচনায় থাকা ব্যক্তি যদি প্রকৃতপক্ষে ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত না হয়ে থাকেন, তাহলে তার ওপর অন্যায়ভাবে একটি অপরাধ চাপিয়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


