সিরিজের মাঝপথে সাতটি বদল এনেও লাভ হলো না। ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে ফের তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে মাত্র ১৩৩ রানেই গুটিয়ে গেছে সফরকারীরা। জবাবে এই রিপোর্ট লেখার সময় ইংল্যান্ড ৩৫ রানে ২ উইকেট হারায়।
পাকিস্তানের ইনিংস মুলত সংক্ষিপ্ত করে দেন পেস জশ টাং। তার শিকার ৪ উইকেট। অলি রবিনসন ও জোফ্রা আর্চার নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট।
প্রথম ঘণ্টাতেই ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডার। অধিনায়ক বাবর আজম ফেরার আগেই মাত্র ৪৮ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি, তখনো ইনিংসের ১৫তম ওভার চলছে। অভিষিক্ত তিন ক্রিকেটারের কেউই ক্রিজে নামার আগেই এমন বিপর্যয়ের শুরু। সেই ধাক্কা আর সামাল দিতে পারেনি পুরো ব্যাটিং লাইনআপ।
সাইম আইয়ুব ম্যাচের পঞ্চম বলেই একবার এলবিডব্লিউর হাত থেকে বাঁচলেও দ্বিতীয়বার আর পারেননি। এর পরের ওভারেই রবিনসন তুলে নেন তার ক্যারিয়ারের ১০০তম টেস্ট উইকেট। বেন ডাকেটের হাতে জীবন পেয়েও আজান আওয়াইস বেশিদূর যেতে পারেননি, তিন বল পরই ফেরেন টাংয়ের বলে মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে। আব্দুল্লাহ শফিককে স্লিপে দারুণ এক ক্যাচে ফেরান ড্যান লরেন্স, রবিনসনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। পরের ওভারেই শান মাসুদ বিদায় নেন আর্চারের বলে টপ-এজড পুল শটে। শান মাসুদের ক্যারিয়ারও সম্ভবত বড় বিপদে পড়ে গেল।
২৬ রানে চার উইকেট হারানো পাকিস্তানের হাল ধরার দায়িত্ব ছিল বাবরের কাঁধে, কিন্তু টাংয়ের বলে তার অফ স্টাম্প উপড়ে যায়। ৭ রানে শেষ তার সংগ্রাম! অভিজ্ঞ সৌদ শাকিলই একা লড়াই চালান। ৪৭ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে তিনিই ছিলেন দলের একমাত্র ব্যাটার যিনি প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছেন। উইকেটকিপার গাজী ঘোরি টেস্ট অভিষেকে প্রথম বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শুরু করলেও খানিকবাদে এলবিডব্লিউতে কাটা পড়েন। আরেক অভিষিক্ত মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়াকে ইয়র্কারে বোল্ড করেন টাং। শাকিলের লড়াই থামে টাংয়ের আরেকটি বিউটি বলে।
শেষদিকে অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ কিছুটা মারমুখী ব্যাটিং করলেও তার প্রতিরোধ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রবিনসনের বলে। দশম উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ আলীর ২৬ রানের জুটিই ছিল ইনিংসের সেরা জুটি, যা এই সিরিজে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটির পেছনের পাঁচ ইনিংস মিলিয়ে করা মোট রানের চেয়েও বেশি! আব্বাস দ্বিতীয় স্লিপে আর্চারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ১৩৩ রানেই থামে পাকিস্তানের ইনিংস।
পেছনের দুটো টেস্ট হেরে পাকিস্তান এখন ইংল্যান্ড সফরে ধবল ধোলাইয়ের অপেক্ষায়। পরো সিরিজে প্রতিরোধহীন বিপর্যয় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে দলটির টেস্ট ক্রিকেটে টিকে থাকার সামর্থ্য নিয়ে।
সম্ভবত বড় বিপদে পড়ে গেল।
২৬ রানে চার উইকেট হারানো পাকিস্তানের হাল ধরার দায়িত্ব ছিল বাবরের কাঁধে, কিন্তু টাংয়ের বলে তার অফ স্টাম্প উপড়ে যায়। ৭ রানে শেষ তার সংগ্রাম! অভিজ্ঞ সৌদ শাকিলই একা লড়াই চালান। ৪৭ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে তিনিই ছিলেন দলের একমাত্র ব্যাটার যিনি প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছেন।
শেষদিকে অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ কিছুটা মারমুখী ব্যাটিং করলেও তার প্রতিরোধ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রবিনসনের বলে। দশম উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ আলীর ২৬ রানের জুটিই ছিল ইনিংসের সেরা জুটি, যা এই সিরিজে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটির পেছনের পাঁচ ইনিংস মিলিয়ে করা মোট রানের চেয়েও বেশি! আব্বাস দ্বিতীয় স্লিপে আর্চারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ১৩৩ রানেই থামে পাকিস্তানের ইনিংস।
পেছনের দুটো টেস্ট হেরে পাকিস্তান এখন ইংল্যান্ড সফরে ধবল ধোলাইয়ের অপেক্ষায়। পরো সিরিজে প্রতিরোধহীন বিপর্যয় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে দলটির টেস্ট ক্রিকেটে টিকে থাকার সামর্থ্য নিয়ে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

