প্রার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদায়নের দাবি

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদায়নের দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্তদের দ্রুত নিয়োগ ও পদায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রার্থীরা। দীর্ঘদিন নিয়োগপ্রক্রিয়া ঝুলে থাকায় চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের কথা তুলে ধরে তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হুমায়ন আহামেদ।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে এবং আমরা হাজারও প্রার্থী মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ফলাফল প্রকাশের দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনও নিয়োগ ও পদায়নের বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন নিয়োগপ্রক্রিয়া স্থগিত থাকায় প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী ও তাদের পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত নিয়োগ ও পদায়নের দাবিতে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীরা জানান, গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। ফল প্রকাশের পর মেডিক্যালসহ সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলেও দুই মাসের বেশি সময় পার হলেও এখনও যোগদানের বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

প্রার্থীরা আরও বলেন, তারা ইতোমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তবে এ পর্যন্ত কোনো কার্যকর সাড়া পাননি। আগামী ১০ দিনের মধ্যে নিয়োগপ্রক্রিয়ার দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এ সময় দেবব্রত সরকার নামের এক প্রার্থী বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আমরা সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। কিন্তু নিয়োগ না হওয়ায় আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। দ্রুত নিয়োগ ও পদায়নের মাধ্যমে এই অনিশ্চয়তা দূর করার দাবি জানাই।

উল্লেখ, গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তীতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং জেলাভিত্তিক তালিকাও প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...