প্রায় দুই যুগ আগে লেখা ও ২০০৬ সালে রেকর্ড করা গান ‘তোমাকে দেখা মানে’ অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রকাশ্যে এসেছে। গত ২০ আগস্ট শুভেন্দু দাস শুভর ইউটিউব চ্যানেলে গানটি মুক্তি দেওয়া হয়। এই গানের মাধ্যমে প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করলেন দুই সহোদর সংগীতশিল্পী অটামনাল মুন ও শুভেন্দু দাস শুভ।
গানটির কথা, সুর ও কণ্ঠ অটামনাল মুনের। স্টিল স্ট্রিং গিটারও বাজিয়েছেন তিনি। মিউজিক কো-প্রডাকশন ও নাইলন গিটারে শুভেন্দু দাস শুভ। মিক্স ও মাস্টারিং করেছেন ইফতেখায়রুল আলম শুভ। ভিডিও প্রযোজনায় আছেন সাঈফ হোসাইন।
২০০২ সালে গানটি প্রথম সৃষ্টি হয় এবং অটামনাল মুনের মুখে গানটি শোনেন ছোট ভাই শুভেন্দু। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে তারা যৌথভাবে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন করেন। দীর্ঘদিনের আবেগ ও স্মৃতি জড়ানো এই গানটি নিখুঁতভাবে উপস্থাপনের চেষ্টার কারণেই প্রকাশে এতদিন সময় লেগেছে বলে জানান দুই ভাই।
গানটি নিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে অটামনাল মুন বলেন, ‘শুভেন্দু যুক্ত না হলে এই গানটি বর্তমান রূপ পেত না। গানটি নিয়ে যে আবেগ, তা আমরা দুজনই এতদিন বহন করেছি।” ছোট ভাই শুভেন্দু দাস শুভ জানান, গানটি তাদের কাছে শুধু একটি সৃষ্টি নয়, বরং বহু বছর ধরে বয়ে নিয়ে আসা একটি অনুভূতি।’
গানটির সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই গানটির সুর ও ভাবনার জন্ম ২০০২ সালে। আমিও গানটা ওই সময়েই দাদার মুখে শুনেছি। এমনকি আমি নিজেও গানটি অনেক গেয়েছি গিটার বাজিয়ে।’
২০১৬ সালের রেকর্ডিং প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “দীর্ঘ এক যুগ পরে, ২০১৬ সালে আমরা গানটির রেকর্ডিং করি। এত বছর ধরে গানটি আমাদের সঙ্গে ছিল— স্মৃতি, সময় আর ভালোবাসার সঙ্গে মিশে থাকা একটি পুরোনো অধ্যায়ের মতো।”
অটামনাল মুন বলেন, গানটি তাঁর সবচেয়ে প্রিয় সৃষ্টিগুলোর একটি। তাঁর ভাষায়, ‘আমার এই গানের সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়ে উঠেছে আমার ভাই শুভেন্দু দাস শুভ। তখন থেকেই গানটি রিলিজ করবো করে করে করা হয়নি।’
গানটি প্রকাশ না হওয়ার কারণ হিসেবে দীর্ঘদিনের পরিপূর্ণতার খোঁজের কথাও জানান মুন। তিনি বলেন, ‘একটা গান নিয়ে আমাদের অনেক সময় অনেক প্ল্যান থাকে। আমরা বিশেষ করে পরিপূর্ণতা খুঁজে বেড়াই, সেটা না হওয়া পর্যন্ত অশান্ত লাগে। দিন, মাস, বছর পার হতে থাকলো। অবশেষে গান এবং শুভেন্দু দুজনই তরুণ হলো। প্ল্যান হলো। দুই ভাই দুটো গিটার নিয়ে বাজিয়ে ফেললাম।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

