আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক হলেন নিপীড়নের শিকার মনির হোসেন

বিনোদন রিপোর্টার

বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক হলেন নিপীড়নের শিকার মনির হোসেন

ছাত্রজীবনে জাতীয়তাবাদী ভাবধারার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি ইয়াজ উদ্দিন আহমেদের এপিএসের দায়িত্ব পালন করেছেন। পলাতক স্বৈরাচারের চক্ষুশূল হতে আর বেশি কিছু লাগে না। গত ১৬ বছর তাকে করা হয়েছিল পদবঞ্চিত। ট্রেনিংসহ সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা থেকেও তাকে দূরে রাখা হয়েছে ফ্যাসিবাদী কায়দায়। সেই মনির হোসেন এবার হলেন বাংলাদেশ বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক। সম্প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয় ঘোষিত এক প্রজ্ঞাপনে সহকারী আঞ্চলিক পরিচালক থেকে পদোন্নতি দিয়ে মনির হোসেনকে আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। মনির হোসেনের এই পদোন্নতিতে তার সহকর্মীরাও আনন্দিত।

বাংলাদেশ বেতার আগারগাঁও অঞ্চলে কর্মরত এক কর্মকর্তা জানান, ‘তিনি যেমন সৎ, তেমনি দক্ষ। তার সততা ও দক্ষতাই কাল হয়েছিল ফ্যাসিবাদী শাসনামলে। প্রাপ্য পদোন্নতি তো দেওয়াই হয়নি বরং ঢাকার বাইরে হঠাৎ বদলিসহ নানাভাবে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তিনি। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় তথ্য মন্ত্রণালয় যোগ্যদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়ার যে ধারা চালু করেছে, তাতেই পদোন্নতি পেয়েছেন মনির হোসেন। তিনি কারো কাছে কখনো ধরণা দেননি। একজন ভালো মানুষের যোগ্য সম্মান পাওয়ায় আমরা বেতারে কর্মরত সব সহকর্মী বেশ আনন্দিত।’

বিজ্ঞাপন

পদোন্নতির খবরে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে মনির হোসেন বলেন, ‘আমি কখনো প্রাপ্তির আশা করিনি। আমার কাজটা যথাযথভাবে করে গেছি। সব সময় আশাবাদী ছিলাম। একদিন না একদিন মূল্যায়ন পাবই। না পেলেও ব্যথিত হতাম না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলেই দেশের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে বলে আমি আমার মূল্যায়ন পেয়েছি। না হলে হয়তো কখনোই পদোন্নতি পেতাম না। আমি আজকের এই দিনে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি এবং বীর জুলাইযোদ্ধাদের জন্য দোয়া করছি। সে সঙ্গে আল্লাহ আমাকে যে সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছেন, তা ধরে রাখার চেষ্টা করে যাব। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আপন ভাতিজাকে হারিয়েছেন মনির হোসেন। সে সঙ্গে পরিবারের আরেক সদস্য চোখ হারিয়েছেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন