থাইরয়েড ক্যান্সারে বাংলাদেশের অনেক মানুষ আক্রান্ত। বিশ্বব্যাপী গত তিন দশকে থাইরয়েড ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ছে। বেশির ভাগ থাইরয়েড ক্যান্সার চিকিৎসার ফলে সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। খুব অল্প কিছু সংখ্যকের ফলাফল ভালো হয় না।
সোমবার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ব্লক অডিটোরিয়ামে ‘থাইরয়েড নডুল অ্যান্ড ক্যান্সার: আপডেট অ্যান্ড বিয়ন্ড’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
সেমিনারে জানানো হয়, গবেষণায় দেখা যাচ্ছে অনেক থাইরয়েড ক্যান্সারের শুধু আক্রান্ত অংশের অপারেশন করলেই (হেমিথাইরয়ডেক্টমি) দীর্ঘ দিন ভালো থাকে। বেশ কিছু থাইরয়েড ক্যান্সার দীর্ঘদিন ধরে স্থিতাবস্থায় থাকে, কোনো ঝুঁকি তৈরি করে না। এ জন্য চিকিৎসকদের এ রোগের আচরণ সম্পর্কে বুঝে চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন। এত রোগীর চিকিৎসা ঝুঁকি ও খরচ—দুটোই কমে। খারাপ থাইরয়েড ক্যান্সারেরও বর্তমানে নানা রকম চিকিৎসা সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
বিএমইউর অটোল্যারিংগোলজি হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ডা. কে এম এম আব্দুস সাত্তার তার উপস্থাপিত ‘প্যারাডিজম শিফট ইন দ্য সার্জিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব থাইরয়েড ক্যান্সার’ প্রবন্ধে এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।
সেন্ট্রাল সেমিনার সাব কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফজালুন নেসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সেন্ট্রাল সেমিনার সাব কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি ডা. খালেদ মাহবুব মুর্শেদ মামুন।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার থাইরয়েড ক্যান্সার নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এ বিষয়ে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই সেন্ট্রাল সেমিনারে নিনমাসের পরিচালক ও থাইরয়েড ডিভিশন প্রধান অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী ‘দ্য থাইরয়েড মিস্ট্রি: ফাইডিংস অ্যান্ড ফিক্সিং নডুলস’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

