স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন আইন ও বিধি চূড়ান্ত করতে সিইসির সভাপতিত্বে বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।
প্রধান বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ছাড়াও অন্য চার নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, সভায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনে সংশোধনী আনতে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠানোর প্রস্তাব চূড়ান্ত হতে পারে। তবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণবিধির সংশোধনীও অনুমোদনের প্রস্তাবটি পরে আলোচনার করে চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছিলেন একজন নির্বাচন কমিশনার।
ওই প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে গুরুতর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্টকে লিখিত আদেশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অযোগ্য ঘোষণার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনি প্রচারের সময়সীমা কমানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারে বিধিনিষেধের প্রস্তাবও রয়েছে।
খসড়া সংশোধনীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি, ঋণখেলাপি এবং ঋণখেলাপির জামিনদারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোটারের ১ শতাংশ স্বাক্ষর সংগ্রহের বিদ্যমান শর্ত বাতিলের সুপারিশও রয়েছে।
এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, আগামী অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধাপ শুরু হতে পারে। সে লক্ষ্যে আগস্টের শেষ দিকে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

