শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মুম্বাই থেকে ফ্লাইটে ঢাকায় আসা সাত যাত্রীর ব্যাগে মিলেছে সাড়ে ৩৮ লিটার বিদেশি মদ; যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার এনবিআর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২১৮৩ ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর নজরদারি করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজে বিদেশি মদ থাকার তথ্য পাওয়া যায়। ফ্লাইটটি গত ৮ সেপ্টেম্বর আনুমানিক পৌনে ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ব্যাগেজ সংগ্রহের পর গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়ার সময় সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর নজর রাখেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। পরে একে একে তাদের ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সাত যাত্রীর ব্যাগ থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ পাওয়া যায়।
তল্লাশিতে আজমুল হক নামে এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ১০ লিটার, মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার ব্যাগ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরানের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার এবং বাবুল মিয়ার ব্যাগ থেকে ৬ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া যায়। এ ছাড়া মো. নাফিজ সাবাতের ব্যাগ থেকে ৩.৫০ লিটার, আল আমিন শেখের ব্যাগ থেকে ৩. ৫০ লিটার এবং সাদ্দাম হোসেনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে সাত যাত্রীর কাছ থেকে ৩৮.৫০ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
এনবিআর বলছে, একই ফ্লাইটের সাত যাত্রীর ব্যাগে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ পাওয়ার বিষয়টি কেবল ব্যক্তিগতভাবে বহনের ঘটনা, নাকি এর পেছনে সমন্বিত কোনো পরিকল্পনা ছিল তা খতিয়ে দেখা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


