অভিবাসন বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের বিভিন্ন জটিলতা নিরসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে করে অভিবাসন খাতে জনসচেতনতা বাড়ার পাশাপাশি দায়িত্বশীল পক্ষগুলোকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সোমবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ) আয়োজিত ‘অভিবাসন অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি’ শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে সংগঠনের পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান বলেন, অভিবাসন বিষয়ে ইনভেস্টিগেটিভ বা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের বিভিন্ন জটিলতা নিরসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরে সিমস প্রকল্পের বিস্তারিত দিক তুলে ধরেন বিএনডব্লিউএলএ-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাফাতুর রহমান রুবা।
প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ও অভিবাসন বিষয়ক সাংবাদিক মো. মহিউদ্দিন বলেন, অভিবাসন খাতে প্রতারণা ও শোষণের চিত্র গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠভাবে উঠে এলে তা যেমন জনসচেতনতা বাড়াবে, তেমনি দায়িত্বশীল পক্ষগুলোকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করবে।
হেলভেটাস বাংলাদেশের ‘নিরাপদ অভিবাসন, সিমস’ প্রকল্পের সমন্বয়কারী সাজ্জিদ আহমেদ বলেন, পেশাদার ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে।
এসময় নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বক্তব্য রাখেন, বাংলা ট্রিবিউনের অভিবাসন বিষয়ক সিনিয়র রিপোর্টার সাদ্দিফ অভি, আমার দেশ-এর অভিবাসন বিষয়ক রিপোর্টার পীর জুবায়ের। এছাড়া মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ অ্যাড. ফেরদৌস নিগার, ওকাপ এর অ্যাডভোকেসি অফিসার নুসরারত তাবাসসুম, আমার দেশ এর স্টাফ রিপোর্টার মাহমুদ আশিক, কালের কন্ঠের রিপোর্টার নিখিল ভদ্রসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা।
এমএমআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


