ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) । পাশাপাশি ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ আসনের ব্যারিস্টার কায়সার কামাল । স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংসদের কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সংসদের প্রথম বৈঠকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করা হয়।
স্পিকার হিসেবে হাফিজ উদ্দিনের নাম প্রস্তাব করেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম। ওই প্রস্তাবে সমর্থন করেন খুলনা-৩ আসনের রকিবুল ইসলাম। অপরদিকে সরকারি দলের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার ডেপুটি স্পিকার হিসেবে কায়সার কামালের নাম প্রস্তাব করলে তাতে সমর্থন করেন হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান তাতে সমর্থন জানান।
হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বর্তমান সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
এরপর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শপথের জন্য জাতীয় সংসদের বৈঠক আধা ঘণ্টা মুলতবি করা হয়।
এর আগে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাবে খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে প্রথম বৈঠকের সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। ওই প্রস্তাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সমর্থন জানান।
সাধারণত বিদায়ি সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হয় তার সভাপতিত্বে। তবে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করায় এবং বিদায়ি ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক (টুকু) গণহত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকায় এবার এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থায় অধিবেশন শুরু হয়। কোন বিধানে বৈঠক পরিচালনায় সভাপতি মনোনয়ন করা হয়, সংসদ সচিব তার ব্যাখ্যা দেন। সভাপতির নাম প্রস্তাবের আগে সংসদনেতা সংসদে স্বাগত বক্তব্য দেন। সভাপতি নির্বাচন করে সংসদ অধিবেশন শুরু করার বিষয়টি নজিরবিহীন নয় বলে সংসদনেতা উল্লেখ করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

