বিপদের মুহূর্তে স্বজনদের তৎপরতা আর ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’-এর দ্রুততম পদক্ষেপে রক্ষা পেল দুই শিশু। একই রাতে সুনামগঞ্জ ও ঢাকার আশুলিয়ায় পৃথক দুটি শিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনেছে পুলিশ।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে খেলার সময় পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যাকে একা পেয়ে অনৈতিক স্পর্শের চেষ্টা চালায় তার দূরসম্পর্কের এক চাচা। ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও বাবা-মা ছুটে এসে তাকে রক্ষা করেন। গতকাল শনিবার রাত ৯টা ৮ মিনিটে নির্যাতনের শিকার শিশুটির স্বজন ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে আইনি সহায়তা চান। কলটি গ্রহণ করেন কনস্টেবল জয় এবং বিষয়টি তদারকি করেন এএসআই সিরাজুল ইসলাম। তথ্য পাওয়ার পরপরই জগন্নাথপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত সাব্বির মিয়াকে (৪০) গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
এর ঠিক দুই মিনিট পর, রাত ৯টা ১০ মিনিটে একই ধরনের আরেকটি কল আসে আশুলিয়া থেকে। সেখানে ফাল্গুনী হাউজিং এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে লোডশেডিংয়ের সুযোগ নিয়ে পাঁচ বছর বয়সী আরেক নাতনিকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালানো হয়। শিশুটি কেঁদে উঠলে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে। কলারের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে ৯৯৯-এর কনস্টেবল মালিহা আক্তার ও এএসআই সিরাজুল ইসলাম আশুলিয়া থানাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আসামি মো. সেলিমকে (৩১) গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় শিশুটির মা আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর দায়িত্বশীলদের তৎপরতা এবং স্থানীয়দের সচেতনতায় দুটি পৃথক স্থান থেকে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সর্বসাধারণের এই সচেতনতা বড় ভূমিকা রাখছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

