অনিয়মে সিলগালা, তদবিরে ফের চালু

গোলাম মোস্তফা

অনিয়মে সিলগালা, তদবিরে ফের চালু

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কলেজগেট এলাকার মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ছয়তলা ভবনে রয়েছে ছয়টি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও একটি ব্লাড ব্যাংক। মাত্র তিন মাস আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অভিযানে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে ভবনটির এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ ছিল—ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে রোগী দেখা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, অনুমোদনহীন আইসিইউ পরিচালনা, প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোর অভাব এবং নানা ধরনের প্রশাসনিক অনিয়ম। একই সময়ে চানখাঁরপুল এলাকার কয়েকটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রমও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বন্ধের নির্দেশ উপেক্ষা করে এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই আবার আগের মতোই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। রোগী ভর্তি থেকে শুরু করে অস্ত্রোপচার, আইসিইউ সেবা, পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ সব ধরনের চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্নে দেওয়া হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের মেয়াদ কয়েক বছর আগেই শেষ হলেও তা নবায়ন ছাড়াই কার্যক্রম চলছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এসব প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে সমস্যাটি শুধু কয়েকটি বন্ধ ঘোষিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সেবার নামে কোনো ধরনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অসংখ্য হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অনেক প্রতিষ্ঠানে নেই মানসম্মত রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, প্রশিক্ষিত নার্স, ল্যাব টেকনোলজিস্ট কিংবা বিএমডিসি নিবন্ধিত চিকিৎসক। ছোট ছোট কক্ষ ভাড়া নিয়ে, জরাজীর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে চিকিৎসাসেবা। কোথাও সরকারি হাসপাতাল থেকে দালালের মাধ্যমে রোগী এনে ভর্তি করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অনেক ভবনের নিচতলায় রয়েছে ভাঙারির দোকান, রাসায়নিক পণ্যের গুদাম, পরিবহন প্রতিষ্ঠানের অফিস বা অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম। রোগীদের ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত সিঁড়িগুলোও অত্যন্ত সরু। নোংরা স্যাঁতস্যাঁতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নেই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কিংবা জরুরি চিকিৎসাসেবার ন্যূনতম প্রস্তুতি। অথচ বাইরে বড় বড় সাইনবোর্ডে ক্যানসার, মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি ও অন্যান্য বিষয়ের একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নাম টাঙানো রয়েছে। বাস্তবে এসব চিকিৎসকের অধিকাংশই নিয়মিত বসেন না; রোগী এলে অনকলে ডেকে এনে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এমনকি জটিল অস্ত্রোপচারও খণ্ডকালীন চিকিৎসকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করার অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কোনো রোগীর মৃত্যু বা বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলেই কেবল প্রশাসনের তৎপরতা দেখা যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালীদের তদবিরে অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো আবার চালু হয়ে যায়। ফলে মানহীন চিকিৎসাসেবা, ভুল রোগ নির্ণয় ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ বছরের পর বছর চলতেই থাকে। এতে রোগীরা যেমন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন, তেমনি আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

গত মার্চে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন রাজধানীর কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আকস্মিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ার পর তার নির্দেশে ২৩, ২৪ ও ২৫ মার্চ টানা অভিযান পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওই অভিযানে চারটি হাসপাতাল ও ছয়টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি দুটি হাসপাতালের আইসিইউ ও এনআইসিইউতে রোগী ভর্তি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। অধিদপ্তর জানিয়েছিল, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

অভিযানে মিরপুর রোডের ডক্টরস কেয়ার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মোহাম্মদপুরের টিজি মাল্টি স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চানখাঁরপুলের আহমেদ স্পেশালাইজড হাসপাতাল এবং অথেনটিক হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। এছাড়া প্রাইম অর্থোপেডিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল ও যমুনা হাসপাতালের আইসিইউ ও এনআইসিইউতে রোগী ভর্তি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই অভিযানে রয়েল মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, অ্যাকটিভ ব্লাড ব্যাংক, প্রাইম টিজি ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, ঢাকা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, পিউর সায়েন্টিফিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও অ্যাডভান্সড হেলথ এইডের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট, পর্যাপ্ত জায়গা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ঘাটতি পাওয়া যায়।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১০ শয্যার একটি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য চিকিৎসক, পোস্ট-অপারেটিভ রুম, লেবার রুম, নার্স স্টেশন, স্টেরিলাইজেশন রুম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অপেক্ষমাণ কক্ষসহ অন্তত ১৩ ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, যেসব অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা হয়েছিল, তার বেশিরভাগই এখনো বহাল রয়েছে।

মোহাম্মদপুরের মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে গিয়ে দেখা যায়, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালসহ আশপাশের সরকারি হাসপাতাল থেকে দালালের মাধ্যমে রোগী এনে বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হচ্ছে। অনকলে চিকিৎসক ডেকে রোগী দেখানো হচ্ছে। যমুনা হাসপাতাল ও রয়েল মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুনে শেষ হলেও তা নবায়ন করা হয়নি। ১০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও বাস্তবে রয়েল মাল্টিস্পেশালিটিতে ১৯টি শয্যা ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে দালালের মাধ্যমে ঢাকা হেলথ কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক রোগীর স্বজন আঙ্গুরি বেগম বলেন, তিনদিন ধরে রোগী ভর্তি থাকলেও সেবার মান সন্তোষজনক নয়। পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর, অথচ খরচ তুলনামূলক বেশি। যদিও হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিধান রায় আমার দেশের কাছে দাবি করেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অভিযানে তাদের প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তাই আমরা আমাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম পরিচালনা করছি।

মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২১ সালেও অভিযান চালিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নানা অনিয়মের কারণে সে সময়েও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড এলাকাতেও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে গ্রিন হেলথ হাসপাতাল ও মেডিএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, মূলত মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে রোগী এনে এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। শুক্রবার হাসপাতাল বন্ধ তাই এসব ক্লিনিকও বন্ধ, অথচ হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নিয়ম রয়েছে।

মিটফোর্ডের এস আহমেদ মার্কেটের ইস্টার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দেখা যায়, মাত্র দুটি কক্ষ নিয়ে কার্যক্রম চলছে। উপরে ওঠার সিঁড়ি এতটাই সরু যে সুস্থ মানুষেরও চলাচলে অসুবিধা হয়। নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, অপারেশন থিয়েটার কিংবা মানসম্মত পরীক্ষাগার। অথচ বাইরের সাইনবোর্ডে ঝুলছে ছয়জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নাম। একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে বাঁধন হাসপাতালেও। সেখানে কোনো চিকিৎসক বা নার্স উপস্থিত না থাকলেও সাইনবোর্ডে ১২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নাম দেখা গেছে। রিসিপশনে বসে থাকা একজন আয়া জানান, এখানে কেউ সিরিয়াল দিলে আমরা ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। সেই অনুযায়ী ডাক্তার এসে রোগী দেখেন। তবে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা হয়। মেডিসান হেলথ কেয়ারে যে লাইসেন্সের ছবি টাঙানো রয়েছে তার মেয়াদ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে।

চানখাঁরপুল এলাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অভিযানে বন্ধ হওয়া প্রাইম টিজি ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার ও আহমেদ স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোগী ভর্তি থাকতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে যেসব অনিয়মের কারণে বন্ধ করা হয়েছিল সেসব নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এখনো রয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ডাক্তার-নার্সের পরিবর্তে শুধু রিসেপশন কর্মচারী ও আয়া দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অ্যাকটিভ ব্লাড ব্যাংক, ক্রিয়েটিভ ব্লাড ব্যাংক ট্রান্সফিউশন অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চৌধুরী জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আস সুন্নাহ স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং দি প্যাথলজি সেন্টারে গিয়ে দেখা গেছে, ডাক্তার, নার্স কিছুই নেই। পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড-কেবিন ও টয়লেট নেই। ছোট্ট ছোট্ট খুপড়ির মতো কয়েকটি রুমে রোগী অবস্থান করছে। ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের যেসব নিয়ম-কানুন মেনে চলা দরকার, তা শুধু কাগজ-কলমেই। অথচ বাইরে সাইনবোর্ডে ঝুলছে এমবিবিএস, বিডিএস, বিডিএ, ডেন্টাল সার্জন, দন্তরোগ বিশেষজ্ঞের নাম।

প্রাইম টিজি ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারে আসা শিউলি নামের এক রোগী আমার দেশকে জানান, এখানে নার্স নেই, আয়া দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরিক্ষার রক্ত নেওয়া হয়। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বড় সরকারি হাসপাতালের আশপাশে দালালচক্র ও প্রভাবশালীদের সহায়তায় অনেক প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সের শর্ত পূরণ না করেই বছরের পর বছর ব্যবসা করছে। প্রশাসনের অভিযান সাময়িক প্রভাব ফেললেও কার্যকর নজরদারির অভাবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো আবার চালু হয়ে যায়।

বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. এ এম শামীম এ ব্যাপারে আমার দেশকে বলেন, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়ন বাধ্যতামূলক। কেউ বিধিমালা লঙ্ঘন করলে প্রশাসন অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। তিনি স্বীকার করেন, অনেক প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না এবং এ খাতে আরো জবাবদিহি প্রয়োজন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার সহকারী পরিচালক মাহমুদুর রহমান আমার দেশকে বলেন, অভিযানে বন্ধ করে দেওয়া হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো আবার চালু হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তার কাছে তথ্য নেই। এ বিষয়ে পরিচালক বিস্তারিত বলতে পারবেন বলে তিনি জানান। তবে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন এ বিষয়ে বলেন, শুধু অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। নিয়মিত মনিটরিং, কঠোর লাইসেন্স ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত জনবল এবং জবাবদিহিমূলক তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। তার মতে, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরকারের কার্যকর সমন্বয় ও কঠোর নজরদারি ছাড়া মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

এমই

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন