প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ছাগলকাণ্ডে আলোচিত সাবেক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মতিউর রহমানের চার্জগঠন বিষয়ে আদেশের তারিখ পিছিয়ে আগামী ৩ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীরের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন। তবে এদিন বিচারক ছুটিতে থাকায় পরবর্তী আদেশের দিন ধার্য করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে।
এদিন মতিউর রহমানকে কারাগার থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। তবে তাকে আদালতে তোলা হয়নি। এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা হয়।
মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ করা হয়। তদন্ত শেষে গত ৩ ফেব্রুয়ারি মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র অনুমোদন দেয় দুদক। এতে উল্লেখ করা হয়, মো. মতিউর রহমানের দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয়ে নিজ নামে গোপনসহ ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি মতিউরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

