বিধবা স্ত্রী ও বিপত্নীক স্বামী বিয়ে না করার শর্তে পেনশন পাবেন আজীবন

বিধবা স্ত্রী ও বিপত্নীক স্বামী বিয়ে না করার শর্তে পেনশন পাবেন আজীবন

মৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী ও বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করার শর্তে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। তবে পারিবারিক পেনশন ভোগকালীন পুনর্বিবাহ করেননি—এ মর্মে বছরে একবার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তবে ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে বছরে অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দাখিলের এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মচারীদের অবসরকালীন বিভিন্ন সুবিধা পুনর্নির্ধারণ করে জারি করা এক আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম স্বাক্ষরিত আদেশটি গত ২ সেপ্টেম্বর জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, আদেশটি ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধার ক্ষেত্রে নতুন হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে আদেশে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, চাকরিকালের ভিত্তিতে পেনশনের হার সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ হবে।

এ ছাড়া বিদ্যমান পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন আদেশ অনুযায়ী, মৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী এবং বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করলে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে পেনশন ভোগের সময় পুনর্বিবাহ না করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বছরে একবার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে এ অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি।

সরকারি কর্মচারীদের অবসরকালীন সুবিধা পুনর্নির্ধারণের অংশ হিসেবে জারি করা নতুন আদেশে পেনশন, পারিবারিক পেনশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সুবিধার ক্ষেত্রে পরিবর্তিত নিয়ম ও হিসাবের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

অর্থ বিভাগের এ আদেশ অনুযায়ী, নতুন বিধানগুলো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন