এক-এগারোর কথা বললে আমার এ অঞ্চলের (সরকার দলীয় এমপি) অনেকেই বিব্রতবোধ করবেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, আমাদের অনেক বড় বড় নেতা ভয়ে, ভীত হয়ে দলে দলে এক সঙ্গ হল, খালেদা জিয়াকে পরিত্যাগ করল, তার ডাকে সাড়া দিলো না।
যখন বিহারী আমিন (মেজর জেনারেল আমিন), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বারী সংস্কারের ট্যাবলেট বিক্রি করা শুরু করেছিল, আমি গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সর্বপ্রথম এক-এগারোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলাম।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
এক-এগারোর সময়ে বিএনপির কিছু নেতার অবস্থানের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমাদের অনেক বড় বড় নেতা ভয়ে, ভীত হয়ে দলে দলে এক সঙ্গ হল, খালেদা জিয়াকে পরিত্যাগ করল, তার ডাকে সাড়া দিলো না। তবে খালেদা জিয়া চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশত্যাগ করেননি। তিনি জেলে গেছেন।
এক-এগারোর সময়ের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য জামায়াত বিবৃতি দেয়নি উল্লেখ করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, তখন তারা বলেছিল তারেক রহমান-খালেদা জিয়ার অপকর্মের দায় জামায়াত নেবে না।
কিন্তু যুদ্ধাপরাধী মামলায় জামায়াত নেতারা গ্রেপ্তার হলে বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিবৃতি দিয়েছিলেন ও এক পর্যায়ে মুক্তিও চেয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। একাত্তরের কর্মকাণ্ডের জন্য জামায়াতকে ভুল স্বীকার করার জন্য অনুরোধ করেন গয়েশ্বর।
ভারতের সাথে বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয় জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলামের বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সকলের সঙ্গে অর্থনৈতিক কারণে বন্ধুত্ব থাকবে। কিন্তু দাসত্ব থাকবে না।
আমরা প্রতিবেশির সঙ্গে বন্ধুত্ব করব কিন্তু স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না। সমমর্যাদার ভিত্তিতে। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। জনগণের স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে নয়।
এলআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

