সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সোনামড়ল ও চন্দ্রসোনারথাল হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি। এসময় তিনি বলেন, হাওরাঞ্চলের জন্য ফসলরক্ষা বাঁধ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। সেচের মাধ্যমে যদি স্থায়ীভাবে হাওরে পানি ধরে রাখা যায়, তাহলে এই অঞ্চলের কৃষি উৎপাদনে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
মন্ত্রী বলেন, হাওরাঞ্চলে একাধিক ডুবন্ত বাঁধ রয়েছে, যেগুলো প্রতিবছর মেরামত করতে হয়। এসব বাঁধ নিয়মিত সংস্কার করার ফলে এ অঞ্চলে উৎপাদিত শস্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে হাওরাঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেই এ প্রকল্পে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার সবসময় মানুষের পাশে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই তিনি সরেজমিনে বাঁধের কাজ পরিদর্শনে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছেন এবং সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আজ মানুষের পাশে দাঁড়ানো হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতিবছর বাঁধের কাজ যেন সুন্দরভাবে এবং সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্তভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর। ফসলরক্ষা বাঁধ প্রকল্পে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে।
তিনি বলেন, এলাকার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা সজাগ ও সতর্ক থাকলে কোনোভাবেই এই উদ্যোগ দুর্নীতির কারণে ব্যাহত হবে না। উন্নয়ন কাজ নিয়ে যেন সরকারের বদনাম না হয়, সে জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
সাংবাদিকরা বলেন, সুনামগঞ্জ হাওর বাঁচাও আন্দোলন কমিটির দাবি বর্তমানে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অতীতে কাজের মান নিয়ে যেসব অভিযোগ ছিল, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে কারণেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি নিজে মাঠপর্যায়ে এসে কাজের অগ্রগতি ও মান যাচাই করছেন। দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে মানুষের পাশে থেকে সব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

