প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরকে আড়ম্বর অনুষ্ঠান নয়, মানুষের জন্য কাজ এবং ক্ষমতা প্রদর্শন নয়, বরং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার সফর হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এক দিন, ফিরতে এক দিন। মাঝের মাত্র চার দিন। এই চার দিনে এক মুহূর্তও নষ্ট না করে একের পর এক দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের স্বার্থে কূটনৈতিক ব্যস্ততা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মাহ্দী আমিন এসব কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর মাত্র ছয় দিনের। সফরের আনুষ্ঠানিক সঙ্গী ৩৫ জন। তাদের মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী ১৫ জন। এ ছাড়া নিরাপত্তা, মিডিয়া ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিরা সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আড়ম্বর অনুষ্ঠান নয়; মানুষের জন্য কাজ। ক্ষমতা প্রদর্শন নয়; বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা।’ তার মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর একই সঙ্গে পৃথিবীর ইতিহাসেও একটি বিশেষ মুহূর্ত।
ফেসবুক পোস্টে মাহ্দী আমিন আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাদের সন্তান, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়াবেন। একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সেখানে বাংলাদেশের মানুষের কথা, দেশের স্বার্থ, সরকারের নীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, এই সফরের আরেকটি অনন্য দিক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, ঠিক সেই জাতিসংঘ অধিবেশনের সভাপতির আসনে থাকবেন তারই সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মাহ্দী আমিন বলেন, দীর্ঘ দুই দশকের অনিঃশেষ ত্যাগ-সংগ্রাম এবং আন্দোলন-গণঅভ্যুত্থান পেরিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার আজ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে। বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের কণ্ঠ নিয়ে যাচ্ছেন বিশ্বের দরবারে।
তিনি আরও বলেন, এটি শুধু একটি বিদেশ সফর নয়। শুধু জাতিসংঘে দেশকে তুলে ধরাও নয়। এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষার আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব। এটি আবেগ, অনুভূতি ও আদর্শের ঐতিহ্য। বাংলাদেশের স্বার্থ, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে এটি নতুন ইতিহাসের সূচনা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


