‘কী জঘন্যভাবে দেশ চালাচ্ছে এরা’—সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে মিতুর তীব্র ক্ষোভ

‘কী জঘন্যভাবে দেশ চালাচ্ছে এরা’—সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে মিতুর তীব্র ক্ষোভ

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু এমপি।

বিজ্ঞাপন

পোস্টে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের সাহসিকতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে লেখেন, ‘সালমান মুক্তাদির সেই ছেলেটা, যে জুলাইয়ের রাজপথে সাহস নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে ১৭ বছর পালিয়ে থাকা অভুক্তদের পেটে চাঁদার ব্যবস্থা করেছে। যখন কেউ কথা বলতে সাহস পায়নি, তখন সে প্রতিবাদ করেছে।’ তবে এর পরপরই দেশের বর্তমান সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করেন মাহমুদা মিতু।

জননিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব তুলে ধরে ডা. মিতু বলেন, ‘যারা রাত জেগে স্ক্রল করে এই লেখাটা পড়বেন, হয়তো নিজের দোকান কিংবা বাড়ি সেফ আছে দেখে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন; তাদের সামনেও কোনো কারণ ছাড়াই এমন দিন আসতে পারে। যেভাবে এমন দিন এসেছিল রিয়া গোপের কিংবা বারান্দায় দাঁড়িয়ে গুলি খাওয়া সেই কিশোরী নাইমার।’

সরকার ও নীতিনির্ধারকদের কড়া সমালোচনায় তিনি উল্লেখ করেন, ‘১৭ বছর পর তারেক রহমান দেশে এসে এই দেশ উপহার দিয়েছেন জাতিকে, অথচ ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই। মেয়েদের চাকরি দেওয়া, মন্ত্রীর ছেলেমেয়েদের বড়লোক বানানো আর কার্ডের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার ভন্ডামি শুরু হয়েছে। কী জঘন্যভাবে দেশ চালাচ্ছে এরা!’

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ এনে তিনি আরও বলেন, ‘সালাউদ্দিন সাহেবের ভাবের ঠেলায় তো টেকা যায় না, কথার ফুলঝুরি। চোখে-মুখে কী অহমিকা! ওনার কথা মনে হয় পুলিশ শোনে না বা তাকে পাত্তা দেয় না। না হলে এমন অবস্থা কেন হবে? ন্যূনতম লজ্জা কি আছে ওনার? কীভাবে মুখ দেখান উনি?’

সবশেষে দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব ও রাজনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডা. মাহমুদা মিতু লিখেছেন, ‘তারেক রহমানই বা এত এত লাশের ওপর দিয়ে দায়িত্ব নিয়ে, এত ব্যর্থতা দেখে ঘুমান কীভাবে? একই রাজনীতি করছেন হাসিনার মতো, এদের লজ্জা কেন করছে না? ন্যূনতম গাটস ছাড়ুন, একজন পুরুষ মানুষ হিসেবে!’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন