সাভার সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রী

সব দেশের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ

সব দেশের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চায় বাংলাদেশ।’

বিজ্ঞাপন

রোববার সকাল ১০টার দিকে সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটের কাছে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীকে আরো দক্ষ ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনীর প্রকৃত শক্তি শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থা অর্জন।

নিজের স্মৃতিচারণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি সেনা পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবেই আজ সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে— যাতে সকলে নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। পতাকার মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব।’

সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক অবদান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে এই বাহিনীর সুনাম ও পেশাদার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। অথচ বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাসের সঙ্গে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালের উত্তাল মুহূর্তে ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি ২৬ মার্চ স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে ২৭ মার্চ পুনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা পাঠ করেন। দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ সবসময় সশস্ত্র বাহিনীর যেকোনো গৌরব ও সাফল্যকে গোটা বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবেই গণ্য করে।

এর আগে সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটের কাছে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। পরে তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। সড়কের দুপাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে স্বাগত জানান উচ্ছ্বসিত স্থানীয় জনগণ।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন