টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

টেকসই, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, অবকাঠামো উন্নয়ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আঞ্চলিক যোগাযোগ, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক অবকাঠামো সহযোগিতা সম্মেলন জিআইসিসি ২০২৬-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং কোরিয়ার আন্তর্জাতিক ঠিকাদার সমিতির ব্যবস্থাপনায় তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে উন্মুক্ত বৈশ্বিক অবকাঠামো প্রকল্পে সহযোগিতা’। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, অবকাঠামো সংশ্লিষ্ট সংস্থা, বহুপাক্ষিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী এবং শীর্ষস্থানীয় নির্মাণ ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিচ্ছেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনে শেখ রবিউল আলম আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সহনশীল, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নে শুধু অর্থায়ন নয়, আধুনিক প্রযুক্তি, জ্ঞান ও কারিগরি দক্ষতার সমন্বয়ও প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা আরো জোরদার করা জরুরি।

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি সমন্বিত, দক্ষ, নিম্ন-কার্বন ও জলবায়ু-সহনশীল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও রূপান্তরমূলক অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার সহযোগিতা, বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ, সহজ শর্তের অর্থায়ন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করতে আগ্রহী। একই সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।

জিআইসিসি ২০২৬-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীর সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন