মানচিত্রের কাঁটাতার যেখানে দুই দেশকে ভাগ করেছে, ঠিক সেখানেই জন্ম নিয়েছে এক অঘোষিত, একতরফা আগ্রাসন। ওপারে অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র হাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আর এপারে কোনো সীমানা প্রাচীর কিংবা ভারী অস্ত্র ছাড়াই বাংলাদেশের সীমান্তবাসী।
গত দেড় দশক ধরে দেশের সীমান্তগুলোতে বিএসএফের ধারাবাহিক মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাতের আঁধারে জিরো পয়েন্টে ‘পকেট’ গেড়ে অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণ এবং জোরপূর্বক ‘পুশইন’-এর এক ভয়াবহ ও ধারাবাহিক আগ্রাসন চলছে। তবে এই ভৌগোলিক ও অবকাঠামোগত চরম অবহেলার মাঝেই জন্ম নিয়েছে এক অভূতপূর্ব মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত প্রতিরোধের নতুন প্যাটার্ন।
বিজিবির টহলে নদী, খাল ও পাকা রাস্তার তীব্র সীমাবদ্ধতা থাকলেও, সীমান্তের সাধারণ মানুষ এখন আর ভয়ে গুটিসুটি মেরে ঘরে বসে নেই। বিজিবির দেওয়া মাইক, টর্চ ও বাঁশি নিয়ে প্রতি রাতে জনতা গড়ে তুলছে এক দুর্ভেদ্য প্রাচীর। বিএসএফের তাক করা বন্দুকের নল উপেক্ষা করে তরুণ সমাজ যে কোনো অন্যায়ের তাৎক্ষণিক জবাব দিচ্ছে। অন্যদিকে, পুরুষদের চেয়ে এক কদম এগিয়ে মা-বোনেরাও প্রতিরোধ গড়ে তুলে পিছু হটতে বাধ্য করছে সশস্ত্র বিএসএফ জোয়ানদের। ‘নিজের দেশ নিজেকেই রক্ষা করতে হবে’—এই অমোঘ মন্ত্রে দীক্ষিত অকুতোভয় তরুণ ও নারী সমাজই এখন প্রমাণ করছে যে, অতীতে রাষ্ট্রীয় অবহেলার মাঝেও কেবল জনগণের সম্মিলিত শক্তিই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সবচেয়ে অপরাজেয় হাতিয়ার।
গত ২০ থেকে ২৪ জুন উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত শূন্যরেখা সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিএসএফের যে কোনো ধরনের উসকানি ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় তরুণ এবং নারীরাও সতর্ক রয়েছেন। দরকার হলে রাত জেগে পাহারাও দিচ্ছেন তারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিবির কয়েকজন কোম্পানি কমান্ডার জানান, স্থানীয় জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে বড় ভূমিকা রাখছে।
এ বিষয়ে ৫৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘পুশইনসহ বিএসএফের যে কোনো অপতৎপরতা বন্ধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে আছে। সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে কাজ করছে আনসার-ভিডিপি এবং সাধারণ গ্রামবাসী। রাতে একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে তারা বিজিবির সঙ্গে টহলে অংশ নিচ্ছেন এবং তথ্য দিয়ে সহায়তা করছেন।’
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক নারী ও শিশুসহ দলে দলে মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) অপচেষ্টা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিএসএফের এই একতরফা আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দফায় দফায় ফ্ল্যাগ মিটিং করেছে বিজিবি। একই সঙ্গে অনুপ্রবেশের এই নতুন কৌশল রুখতে দেশের প্রতিটি সংবেদনশীল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৬ জুন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ একটি বিশেষ প্রতিবেদন ও বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে তারা উল্লেখ করে যে, ভারত কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই পশ্চিমবঙ্গ ও অন্যান্য রাজ্য থেকে জাতিগত বাঙালি (প্রধানত মুসলিম) বাসিন্দাদের বাংলাদেশে পুশইন করছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক অবস্থানে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া বা দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ ছাড়া রাতের অন্ধকারে পুশইনের চেষ্টা আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, যা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী। নাগরিকত্ব প্রমাণের বৈধ নথিপত্র ছাড়া কাউকে ঢালাওভাবে বাংলাদেশি দাবি করে পুশইন করা গ্রহণযোগ্য নয়। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী যদি কেউ প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের নাগরিকও হয়ে থাকেন, তবে তাকে পুশব্যাক করতে হলে নির্দিষ্ট আইনি যাচাই-বাছাই ও ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ভারতকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
উল্লেখ্য, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫টি বিভাগের মোট ৩০টি জেলার ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
পুরোনো ক্ষত আর বর্তমানের সতর্কতা
গত ২১ জুন প্রবল বর্ষণের মধ্যেই কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের খলিশা কোটাল সীমান্তে পৌঁছায় এই প্রতিবেদক দল। যার ওপারেই ভারতের কিশামত করলা ও কদমতলী বাজার। এই সীমান্তের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন বহু বছর আগের এক দুঃসহ স্মৃতি। সীমান্ত পিলার ও ব্রিজের সামান্য বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন তার দুই ভাই—সফিরউদ্দিন (২৮) ও একরামুল (২২)।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিএসএফ লাশ দুটি ওপারে নিয়ে গিয়ে তিনদিন পর ফেরত দিয়েছিল। সেই ক্ষত এখনো আমাদের বুকে তাজা। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। আমরা আমাদের জমিতেই চাষ করব, ভয় পেয়ে পিছু হটব না।’
একইভাবে বালাটারী ধুলারকুটি সীমান্তের মোহাম্মদ কাইয়ুম হোসেন রুবেলের ছোট ভাই বিএসএফের গুলিতে চিরতরে এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন। ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল সীমান্ত থেকে প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে বাবার সঙ্গে ঘাস কাটার সময় নবম শ্রেণির কিশোর মোহাম্মদ রাসেল মিয়া বিএসএফের ধাওয়ার মুখে পড়ে। প্রাণভয়ে রাসেল পাশের একটি নদীতে ঝাঁপ দিলে তাকে লক্ষ্য করে শর্টগান থেকে রাবার বুলেট ছোড়া হয়।
রাসেলের মাথা ও মুখমণ্ডলে ৪৮টি স্প্লিন্টার (ছররা গুলি) বিদ্ধ হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর ডান চোখটি রক্ষা পেলেও চিরতরে আলো হারিয়ে যায় তার বাম চোখ থেকে।
স্থানীয়রা জানান, অতীতের এমন নির্মম ও নৃশংস অভিজ্ঞতাই আজ সীমান্তবাসীকে নিজেদের সুরক্ষায় বিজিবির পাশে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
নারীদের রাত জেগে পাহারা
সরেজমিনে দেখা যায়, সীমান্তের একদম শেষ মাথায় কাঁটাতারের কাছাকাছি বসবাস করেও বুকভরা অসীম সাহস নিয়ে ওপারকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার এ দেশের সাধারণ মানুষ। বিএসএফ যখনই রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক বাংলাদেশে মানুষ ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) অপচেষ্টা চালায়, তখনই বিজিবির পাশাপাশি টর্চের আলো আর বাঁশি নিয়ে সতর্ক সংকেত তৈরি করেন স্থানীয় নারী ও পুরুষরা।
কুড়িগ্রাম থেকে দূরবর্তী আরেক প্রান্ত পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্তের শাড়িয়ালজোতেও দেখা গেছে একই চিত্র। সেখানকার বাসিন্দা ফিরোজা খাতুন নিজের অদম্য সাহসের কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি সীমান্তে কোনো কিছু দেখেই ভয় পাই না। বিএসএফ যখন এসে লোক নামিয়ে দিতে চায়, তখন আমি সঙ্গে সঙ্গে বিজিবিকে ফোন দিই এবং গ্রামের মানুষকে ডেকে তুলি।’
৯৩১ নম্বর পিলারের কৃষ্ণনগর বক্সী এলাকার বাসিন্দা পেশায় সাধারণ কৃষক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এলাকার মহিলারা পুরুষদের চেয়েও বেশি অ্যাক্টিভ। বিএসএফের অন্যায্য তৎপরতা দেখলেই তারা ঘর থেকে বের হয়ে এসে চিৎকার করে জড়ো হন এবং প্রতিরোধ তৈরি করেন। মহিলাদের এই সম্মিলিত চিৎকারে বিএসএফ তখন পিছু হটতে বাধ্য হয়।’
তরুণরাই সীমান্তের মূল ভরসা
সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখে দিতে বিজিবির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সারারাত সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় সাহসী তরুণরা। বিএসএফ বা ওপারকার কোনো পক্ষ গ্রামের দিকে ধেয়ে এলে পুরো গ্রামবাসী এক হয়ে পাল্টা ধাওয়া দেওয়ার নজিরও তৈরি হয়েছে।
বালাটারী ধুলারকুটি সীমান্তবর্তী এলাকার এইচএসসি পরীক্ষার্থী তরুণ মোহাম্মদ শুভ পাটোয়ারী নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, ‘পুশইনের চেষ্টা হলে আমরা বিএসএফের গতিবিধি নজরদারিতে রাখি এবং বিজিবিকে সঙ্গে নিয়ে রাতে পাহারা দিই। বিজিবি সদস্যরা যখন মাইক নিয়ে আসেন, তখন সেই মাইক বাজানোর দায়িত্ব তরুণরাই নেয় এবং সবাই সতর্ক অবস্থানে থাকে।’
শুভ জানান, কয়েক মাস আগে বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে স্থানীয় কৃষকদের মারধর করার চেষ্টা করলে মুহূর্তের মধ্যে গ্রামবাসী ও তরুণরা একতাবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। নিশ্চিত মৃত্যুর ঝুঁকি থাকার পরেও দেশের স্বার্থে তরুণরা পিছু হটেননি।
গ্রামবাসী-বিজিবির যৌথ টহল
কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, জয়পুরহাট, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট ও পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত ঘুরে দেখা গেছে এখন দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টাই এক ধরনের সতর্কাবস্থা বিরাজ করছে। বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে প্রতিটি মুহূর্তে বিজিবির সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করছেন স্থানীয়রা।
নওগাঁর ধামুরহাট উপজেলার আলতাদীঘি সীমান্তের অধিবাসী মোহাম্মদ মিলন মিয়া জানান, যখনই তারা সীমান্তে অবৈধ পুশইনের বিষয়ে কোনো খবর বা গুঞ্জন পান, তখনই পুরো এলাকাবাসী সতর্ক হয়ে যান এবং বিজিবিকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার হাটখোলা বিওপি অধীন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির খান বলেন, ‘ভারতের বিএসএফ যখনই পুশইন করতে আসে, আমরা সব জনগণ মিলে বিজিবির সঙ্গে থেকে সেটা ঠেকাই।’
ভারতের এই পুশইন নীতির তীব্র সমালোচনা করে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ‘ভারত শক্তিশালী ও বড় রাষ্ট্র, আমরা তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করি না। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী যদি কেউ বাংলাদেশের নাগরিক হয়, তবে সীমান্তে বিজিবিকে চিঠি দিয়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বৈধ প্রক্রিয়ায় ফেরত দিতে হবে। এমন গোপনে লোক নামিয়ে দিয়ে সীমান্তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা গ্রহণযোগ্য নয়।’
তবে এই বীরত্বপূর্ণ সতর্কতার মাঝেও অনুসন্ধানকালে সীমান্ত এলাকার কিছু গুরুতর অবকাঠামোগত সংকট উঠে এসেছে। স্থানীয়রা দুঃখ প্রকাশ করে জানান, সীমান্তের একদম কাছাকাছি বাংলাদেশের অংশে কোনো ভালো রাস্তাঘাট নেই। এই উন্নত রাস্তা না থাকার কারণে রাতের বেলা বা যে কোনো জরুরি মুহূর্তে বিজিবির পক্ষে দ্রুত সীমান্ত এলাকায় টহল দেওয়া বা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
অথচ ভারতের সীমান্ত অবকাঠামো সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে সীমান্তের একদম লাগোয়া পাকা রাস্তা এবং রাস্তার সঙ্গেই বিএসএফ ক্যাম্প। বাংলাদেশের সীমান্তেও একই রকম উন্নত রাস্তা এবং বিজিবি ক্যাম্প সীমান্তের কাছাকাছি থাকলে ওপার থেকে আসা যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা অনেক সহজ হতো।
সাবেক এমপি মোহাম্মদ রুহুল আমিন এই সংকটের কথা নিশ্চিত করে বলেন, ‘সীমান্ত সড়কগুলোর অবস্থা খুব খারাপ। সড়কগুলো সংস্কার করা হলে বিজিবি দ্রুত সেখানে পৌঁছাতে পারবে।’
বিজিবির কয়েকজন কোম্পানি কমান্ডারও এই সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে বলেন, রাস্তাঘাট বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছাতে কখনো কখনো বেশ সময় লেগে যায়। ভাঙাচোরা রাস্তায় সাইকেলে চড়েও টহল দিতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। জরুরি মুহূর্তে সাইকেলের চেন পড়ে যাওয়ায় তা ঝোপে রেখে হেঁটেই যেতে হয়। ফলে সীমান্ত সড়কের উন্নয়ন একদম জরুরি।’
[প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মুজাহিদ, পঞ্চগড়ের এ হোসেন রায়হান, জয়পুরহাটের নজরুল ইসলাম, লালমনিরহাটের হাসান উল আজিজ, রাণীশংকৈলের মোবারক হোসেন এবং তেঁতুলিয়া প্রতিনিধি মো. আব্দুল বাসেত]
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

