আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

কারিতাসের পরামর্শ সভায় বক্তারা

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি

স্টাফ রিপোর্টার

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রতি বছর অগণিত মানুষ জীবিকা হারাচ্ছে ও বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। বাধ্য হয়ে শহরের বস্তিতে অমানবিক পরিবেশে বসবাস করছে। সেখানে নাগরিক সেবার অভাব যেমন আছে, তেমনি জীবন-জীবিকারও কোনো নিরাপত্তা নেই। এ সংকট সমাধানে আরো সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার কারিতাস বাংলাদেশের উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ডিআরইউ মিলনায়তনে ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসন ও নগর জীবনের বাস্তবতা: নীতিমালা বাস্তবায়নের বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক একটি জাতীয় পরামর্শ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভার শুরুতে কারিতাস বাংলাদেশের পরিচালক (কর্মসূচি) দাউদ জীবন দাশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীসহ দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, বিপদাপন্ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরসন, অভিযোজন ও জীবনমান উন্নয়নমূলক সংক্রান্ত কারিতাস বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হয়।

সভায় উপস্থিত সংবাদকর্মীদের কাছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অভিবাসন সংকট বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।

কারিতাসের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারের ড. জামিল আহমেদের সঞ্চালনায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল ও প্রথম আলোর যুগ্ম-সম্পাদক সোহরাব হাসান বক্তব্য রাখেন। ব্রাক ইউনিভার্সির সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করার কথা থাকলেও তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। তবে এতে গণমাধ্যমে বিপুল সংখ্যক কর্মী অংশ নেন।

পরামর্শ সভায় বলা হয়, গবেষণা সংস্থা রামরু ও এসনিএমআরের মতে, ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ১ দশমিক ৬ থেকে ২ দশমিক ৬ কোটি মানুষ জলবায়ূ পরিবর্তনের কারণে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হতে পারে। জিআইজেড এর ২০২৩ সালের গবেষণায় দেখা গেছে, শহরে আশ্রয় নেয়া জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসীদের মধ্যে ৫৭ শতাংশই উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন