আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার

তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের দাবি

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস করার দাবি জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স- আত্মা। অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস হওয়া জরুরি বলেও মনে করছে সংগঠন দুটি।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানিক মিয়া সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠন দুটি এ দাবি জানায়।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনি ইশতেহারেও তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইনি উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস করা হলে নতুন প্রজন্ম নিকোটিন পণ্য যেমন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ ইত্যাদি ব্যবহার শুরু করতে পারবে না এবং তারা সবধরনের তামাকপণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে। শিশু, নারীসহ অসংখ্য অধূমপায়ী পরোক্ষ ধূমপানের ছোবল থেকে সুরক্ষা পাবে।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন দৈনিক জনকণ্ঠের চীফ রিপোর্টার কাওসার রহমান, ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশ এর হেড অফ অনলাইন (বাংলা) মো. মনির হোসেন লিটন, আত্মা’র কনভেনর মর্তুজা হায়দার লিটন ও কো-কনভেনর মিজান চৌধুরী, এবং প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরসহ বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ। আত্মা’র কো-কনভেনর নাদিরা কিরণের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞা’র তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক প্রকল্প প্রধান হাসান শাহরিয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তামাক ব্যবহারের কারণে বছরে প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনে স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ক্ষতি বছরে ৮৭ হাজার কোটি টাকা। তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের চেয়ে এই ক্ষতি দ্বিগুণেরও বেশি। বর্তমানে ৩৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করছেন। এই পরিস্থিতিতে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করা না হলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়তে থাকবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন