দায়িত্বে অসম্ভব চাপ অনুভব করছি: প্রধানমন্ত্রী

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

দায়িত্বে অসম্ভব চাপ অনুভব করছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ‘অসম্ভব চাপ’ অনুভব করছেন বলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, একজন (সাংবাদিক) তার বক্তব্যে বলেছেন, উনি নির্বাচনের পরে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন, উনি মানুষের চোখে-মুখে খুশি দেখেছেন। আমার মনে হয় একই জিনিস মনে হয় আমিও দেখেছি। কিন্তু তার পরেও অবশ্যই দায়িত্বের একটা চাপ অনুভব করছি। কারণ, এখানে প্রচুর সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অ্যাট দ্য সেইম টাইম বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সো অসম্ভব একটা চাপ অনুভব করছি দায়িত্বে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস এই খবর জানায়।

নিজের বাবা ও বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে আমি অফিস থেকে যখন বাসায় যাচ্ছি, তখন আমার সাথে গাড়িতে যারা ছিল, তখন আমি তাদের বলছিলাম আব্বা একসময় উনার একজন সহকর্মীকে বলেছিলেন যে দিনটা যদি ৪৮ ঘণ্টা হতো তাহলে আমরা আরেকটু বেটার কাজ করতে পারতাম।

আব্বার মতো আমি ওদিন বলছিলাম যে, দিনটা মানে কখন অফিসের ঢুকছি এবং কখন সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে, একটু বুঝতেই পারছি না। দম ফেলানোর টাইম পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য আমারও মনে হয় আসলে দিন ২৪ ঘণ্টা না হয়ে যদি ৪৮ ঘণ্টা হতো তাহলে একটু ভালো হতো”।

প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি জেলের মধ্য থেকে এসেছি, আমি শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি, মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি। এক্সরে করলে হয়ত দেখা যাবে আমার পিঠের হাড্ডিটা এখনো বাঁকাভাবে একটু লেগে আছে। যেহেতু প্রায় অনেকদিন এটা করে ফেলে রাখা হয়েছিল। প্রপার টাইমে চিকিৎসা করা হয়নি, সেজন্য হয়ত একটু বাঁকাভাবে রয়ে গিয়েছে। চার সপ্তাহর মধ্যে তিন দিনে হাড্ডি জোড়া লেগে যাবে না।

আমি এখন যদি সেজন্য কাউকে দায়ী করে বেড়াই তবে আমার তো হাড্ডি জোড়া লাগবে না। আমি এখনো যেই পেইনটা মাঝে মাঝে অনুভব করি, আমার সেই পেইনটা চলে যাবে না। সুতরাং ক্ষতি যা হয়ে গেছে সেটা নিয়ে না ভেবে দেশের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে”।

গণমাধ্যমের সঙ্গে তাদের শত্রুতা নেই- এই কথা বিএনপি সরকার বারবার প্রমাণ করেছে দাবি করে তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। সরকারের ভুল হতে পারে, গঠনমূলক আলোচনা হোক।

গণমাধ্যমে সহযোগিতা চেয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে অনেক সাহায্য করতে পারেন। শুধু সরকার একা পারবে না, আপনার সহযোগিতা আমার লাগবে। আপনার সহযোগিতা না পেলে আমি বুঝতে পারবো না যে, কাজটা ভালো হচ্ছে না খারাপ হচ্ছে।

এএস

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন