জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ফরিদপুর-৪ আসনের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা। বৃহস্পতিবার দুপুরে মোবাইল ফোনে আমার দেশ বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি নিজেই।
তবে মিজানুর রহমান মোল্লা কি কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন তা না জানালেও এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে বিএনপি প্রার্থীর শহীদুল ইসলাম বাবুল খানের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন তিনি।
এদিকে, হঠাৎ করে একজন প্রার্থীর মাঠ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণায় তিনটি উপজেলায় এনিয়ে আলোচনা ও সমালোচনার পাশাপাশি নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়েছে ভোটের মাঠে।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ জানতে চাইলে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা নিরপেক্ষভাবে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যেহেতু ইসলামিক ঐক্য জোটের সঙ্গে তার দল রয়েছে এবং তিনি যদি ভোটের মাঠে কাজ করেন তাহলে বিবেচনায় থাকবে জামায়াত ইসলামী ফরিদপুর- ৪ আসনের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনের সাথে কাজ করছি।
উল্লেখ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাওলানা মামুনুল হকের আশীর্বাদ পুষ্ট মাওলানা মিজানুর রহমান ফরিদপুর-৪ আসনে আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে মাওলানা মামুনুল হক ও তার দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে মিজানুর রহমান মেল্লাকে মনোনয়ন প্রদান করে। তবে এ আসনে ভাঙা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সরোয়ার হোসেনও জামায়াতের ঘোষিত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন মাঠে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে ধানের শীষ প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান বাবুল পুলিয়া বাজার এলাকায় গণসংযোগ করেন। শহিদুল ইসলাম খান বাবুল ও মাওলানা মিজানুর রহমান সৌজন্যে সাক্ষাতে একান্ত আলাপ করার পর মাওলানা মিজানুর রহমান ভোটের মাঠ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন বলে এমন প্রচার ছড়িয়ে পড়ে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে বিএনপির প্রার্থী শহীদুল ইসলাম খান বাবুলের সাথে তিনি একাত্মতা প্রকাশ করছেন এবং ধানের শীষ মার্কার বিজয়ে কাজ করবেন বলে তিনটি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম জানান, দুই নেতার সাক্ষাতের খবরটি তিনি জানতে পেরেছেন। তবে মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান বাবুলের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যায়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

