মেজর আখতারুজ্জামান-নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ঘটনায় নেজামে ইসলামের উদ্বেগ

মেজর আখতারুজ্জামান-নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ঘটনায় নেজামে ইসলামের উদ্বেগ

মেজর আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার এবং কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী ও মহাসচিব মাওলানা মূসা বিন ইযহার। তারা এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মত ও কর্মকাণ্ড দমন বন্ধ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক বিষয়। মামলা, গ্রেপ্তার, হামলা কিংবা প্রশাসনিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো বিরোধী মত দমন করা উচিত নয়। নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা না করে যুক্তি, কর্মসূচি ও জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে মোকাবিলার সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

মেজর আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তারা বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বা মতের কারণে কোনো নাগরিক যেন হয়রানি বা বৈষম্যের শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তারা বলেন, অপরাধীর রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা না করে সবার ক্ষেত্রে আইন সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে নেজামে ইসলাম পার্টির নেতৃদ্বয় বলেন, জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। দল-মত ও পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদারভাবে পরিচালনা করা জরুরি।

বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে তাঁরা বলেন, ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব, প্রতিহিংসা বা পক্ষপাতের কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং প্রত্যেক নাগরিকের আইনি অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমেই বিচারব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখা সম্ভব।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন