জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা এমপি এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুটো শপথই নিতে চাইছেন। না হলে তারা এমপি হিসেবে শপথ নেবেন না।
এ নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। সংসদ ভবনের ভেতরেই বিএনপি, জামায়াত ও বিদায়ি সরকারের প্রতিনিধিরা আলোচনা করছেন জট খোলার জন্য। দুপুর ১২টায় জামায়াত এমপিদের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।
ডা. শফিকুরর রহমানসহ জামায়াত এমপিরা সংসদ ভবনে অবস্থান করছেন। এর আগে সকাল ১০টা ৪০ মিটিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জোটের এমপিরা শপথ নেন, কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্যরা (এমপি) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে শপথ নিয়েছেন। একই দিন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি-দলীয় সংসদ সদস্যরা শপথ নেননি বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার সকালে শপথগ্রহণের আগে কক্সবাজার–১ আসনের এমপি সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদ ভবনের শপথকক্ষে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ ফরম থাকলেও আমরা (বিএনপি) কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। এছাড়া সংবিধানে এটা এখনো ধারণ করা হয়নি।
তিনি বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে। এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের কে শপথ নেওয়াবেন, সেটা বিধান করতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিধান সংবিধানে নেই। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলছি, সামনের দিনেও চলব। দলীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন বলেও জানান সালাহউদ্দিন।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বিএনপির ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আরোহণ। অন্যদিকে, ৬৮টি আসন নিয়ে সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় বসতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, যাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

