এত সংস্কার কমিশন হলেও শিক্ষা নিয়ে কিছুই হয়নি: মির্জা ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার

এত সংস্কার কমিশন হলেও শিক্ষা নিয়ে কিছুই হয়নি: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এতগুলো সংস্কার কমিশন হলেও শিক্ষা নিয়ে কোন কিছুই হয়নি। অতিবিপ্লবী হয়ে সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা যাবে না।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠান ‘গ্রন্থ আড্ডায়’ তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা আমাদের পড়ালেখা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, একদম শেষ হয়ে গেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা একদম শেষ। সেটার মধ্যে কোন কিছু অবশিষ্ট আছে বলে মনে হয় না। প্রাইমারি স্কুল থেকে শুরু করে একদম ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত সব জায়গায় দেখবেন যে এত নিচে চলে গেছে তার মান। এটা বলে বুঝানো যাবে না। একেবারে কুড়িগ্রামের চরের মধ্যে যে প্রাইমারি স্কুলটা বা হাই স্কুলে কি শিক্ষা পাচ্ছে সেটার খবর আমরা অনেকেই রাখি না।

তিনি বলেন, শিক্ষক নেই সেখানেও অনার্স খুলে বসে আছে। দিনাজপুর গভর্নমেন্ট কলেজে কিছুদিন আগে আমার যাবার সুযোগ হয়েছিলো, সেখানে একাউন্টিং ডিপার্টমেন্ট মাত্র ১ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে। অথচ সেখানে অনার্স আছে, মাস্টার্স আছে। এখন আপনারা বলেন, সে কলেজগুলোর কি দরকার আছে? সেখানে শুধু আর্টস আর কমার্স আছে। সাইন্স নেই। যারা শুধু বিএ পড়ছেন তাদের দিয়ে করবেন টা কি? তাদের সমাজে দরকার টা কি? কোন প্রয়োজন নাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, স্বৈরাচারের আমলে কেউ কথা বলার সাহস না পেলেও এখন সবাই দাবি আদায়ে মাঠে নেমেছে। ধৈর্যচ্যুত হওয়া যাবে না। এই সরকারের দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা না থাকায় ভুল-ত্রুটি হচ্ছে। তারা একটি কাঠামো দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন। গণতন্ত্র ফিরে এলে এসব ঠিক হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, অনির্বাচিত সরকারের চাইতে নির্বাচিত সরকারের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বেশি থাকে। ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচন দিতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, একটা কথা আমি আবারও বলি, আমাকে কেউ ভুল বুঝবেন না। আপনি এত নির্বাচন নির্বাচন করেন কেন? বিশেষ করে ছাত্রতা তো বলেনই। নির্বাচন বলার কারণটা হচ্ছে একটাই, আমি বিশ্বাস করি, আমি জানি না আমার বিশ্বাসটা ভুল কিনা, যেকোন নির্বাচিত সরকার কিন্তু একটা অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে ভাল। আমার এক্সেস থাকে, আমি যেতে পারি, কথা বলতে পারি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন