ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয়দের সাম্প্রতিক কার্যক্রম উদ্বেগজনক। সীমান্ত সমস্যা সমাধানে সরকারকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে এবং প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিষয়টি উত্থাপন করতে হবে।
শনিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাউয়ুম।
অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ বলেন, ভারত সীমান্তে বহু মানুষকে জড়ো করছে এবং অনেককে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করছে। আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও সীমান্তবর্তী মানুষ তা প্রতিরোধের চেষ্টা করছে। কিন্তু শুধু সীমান্তে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ স্থায়ী সমাধান আনবে না।
তিনি বলেন, সরকারকে এমন নীতিগত পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশি পরিচয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হয়।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে এবং প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি আলোচনা করতে হবে।
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, বিদ্যুৎ খাতে নীতিগত দুর্বলতার দায় এখন জনগণকে বহন করতে হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয়ের একটি বড় অংশ এই ক্যাপাসিটি চার্জের কারণেই বেড়েছে।
তিনি বলেন, “ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের দায়ভার জনগণের ওপর চাপিয়ে সরকার পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।”
অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে বলেন, “ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতে করা সব চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী কোম্পানিগুলোকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ এটি কোনো ব্যবসা ছিল না, বরং ছিল রাষ্ট্রীয় লুটপাট। এর দায় জনগণের ওপর চাপানো যাবে না।”
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

