আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

ধানের শীষের ২৯২ প্রার্থীর মধ্যে ২৩৭ জন স্নাতক

স্টাফ রিপোর্টার

ধানের শীষের ২৯২ প্রার্থীর মধ্যে ২৩৭ জন স্নাতক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯২টি আসনে ধানের শীষের প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এসব প্রার্থীর মধ্যে ২৩৭ জন ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।

বিজ্ঞাপন

সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহাদী আমীন।

তিনি বলেন, “২৯২টি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে ৮৫ জনের ইতিপূর্বে সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের জন্য কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ১৯ জন ইতিপূর্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রার্থীদের এই অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ততা গণমানুষের দল বিএনপিকে একটি ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের স্বকীয়তা রয়েছে।”

মাহাদী আমীন আরও জানান, “বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক ১০ জন নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে। এটি নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর জন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।”

তিনি বলেন, “দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হওয়া সত্ত্বেও এমন রাজনৈতিক দলও রয়েছে, যারা একজন নারীকেও মনোনয়ন দেয়নি। এটি হতাশাজনক ও দুঃখজনক। বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে সবচেয়ে বেশি গুম, খুন, নিপীড়ন, নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছে বিএনপি। স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতনের শিকারদের সংখ্যা বেশি।”

বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে গুম হওয়াদের মধ্যে তিনজন প্রার্থী রয়েছেন—সালাহউদ্দিন আহমদ, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ও হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এছাড়া গুমের শিকার পরিবারের মধ্য থেকে দুইজন প্রার্থী রয়েছেন—সাবেক এমপি ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিন রুশদির লুনা এবং সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন ও ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।

মাহাদী আমীন অভিযোগ করে বলেন, “একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা এবং তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু পোস্ট ও ভিডিও আমাদের নজরে এসেছে। ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে ভোট চাওয়ার এই প্রচেষ্টা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দেশের ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা নির্বাচনের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৭(১)(ঘ) অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আইন অনুযায়ী ‘অসৎ প্রভাব বিস্তার’ হিসেবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।” তিনি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন