বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও বিএমইউর ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, চিকিৎসকের ওপর সহিংসতা কোনো ব্যক্তির ওপর আঘাতেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি রোগীর নিরাপদ চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার, হাসপাতালের সেবা-পরিবেশ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত হানে।
সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘চিকিৎসক সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। “সহিংসতা প্রতিরোধের সময় এখনই, চিকিৎসকের ওপর সহিংসতাকে না বলুন”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসা ক্ষেত্রে জটিলতা, সীমাবদ্ধতা এমনকি মৃত্যু ঘটতে পারে—কিন্তু এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে অশ্লীল মন্তব্য, মারধর, ভাঙচুর বা চিকিৎসককে জিম্মি করা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, গত ৫ আগস্টের পর হঠাৎ করেই স্বাস্থ্যখাতে সহিংসতার ঘটনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দলের পক্ষ থেকেও তাদের প্রতি সংহতি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য নীতিতে চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিএনপির পক্ষ থেকে জোরালো সুপারিশ করা হয়েছে।
সরকারি উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ইতোমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা চিকিৎসকদের নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।
গোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকি, অধ্যাপক সৈয়দ আতিকুল হক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলামসহ দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

