ইরান ও কাতারের আসন্ন আলোচনায় হরমুজ প্রণালি আবার খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেল সরবরাহে যে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে, তা কমতে পারে। এমন প্রত্যাশায় বিশ্ববাজারে টানা কয়েক দিন ধরে তেলের দাম কমছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬০ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৮৭ দশমিক ২৪ ডলারে নেমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও তেলের দর কমেছে। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৫৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তেলের দামের এই পতনের পেছনে মূল কারণ হিসেবে ইরান ও কাতারের সম্ভাব্য আলোচনাকে দেখা হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক হতে পারে বলে বাজারে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সমৃদ্রপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে এই পথ স্বাভাবিক হলে সরবরাহ–সংকটও কমে আসতে পারে।
সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনায় বাজারে তেলের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে দামে। ফলে টানা কয়েক দিনের দরপতনের ধারাবাহিকতায় আজও ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—দুই ধরনের তেলের দাম কমেছে।
রয়টার্স বলছে, ইরান ও কাতারের আলোচনার ফল কী হয়, এখন সেদিকেই নজর রাখছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

