আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

পঞ্চগড়ে জনসভায় শফিকুর রহমান

উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই

ইমরান হোসাইন, পঞ্চগড় থেকে

উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই

উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের কাছে কোনো কার্ড নেই। আপনারা ভাই-বোনেরাই আমাদের কার্ড। আমরা বন্ধ চিনিকলগুলো খুলে দিতে চাই, শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে ফিরিয়ে নিতে চাই।

বিজ্ঞাপন

গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় তিনি পঞ্চগড় জেলার চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি জোট আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ঢাকার বাইরে এটাই ছিল জামায়াত আমিরের প্রথম নির্বাচনি জনসভা। একই দিন পর্যায়ক্রমে তিনি দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও রংপুরে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন। জামায়াত আমিরের আগমনকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোয় নেতাকর্মীদের মাঝে বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, এতদিন মানুষ স্লোগান দিয়েছে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। এখন থেকে স্লোগান হবে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ। বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই উত্তরবঙ্গকে পরিকল্পিতভাবে গরিব করে রাখা হয়েছে। ইচ্ছে করেই একে পিছিয়ে রাখা হয়েছে, অবহেলা করা হয়েছে। এই অঞ্চল আমাদের কলিজার অংশ। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি, উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে পাঁচ বছরই যথেষ্ট। উত্তরবঙ্গে আর বেকার দেখতে চাই না বরং কাজ তৈরি করে দিতে চাই। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

তিনি বলেন, নদী আল্লাহর দান। এই এলাকার চারটি নদী শুকিয়ে গেছে। এ দেশের কি মা-বাবা ছিল না? তাহলে নদী মরে গেল কেন? তিনি বলেন, ওরা নির্বাচনের কোকিল। নির্বাচন আসলে ডেকে ওঠে কুহু কুহু। কিন্তু আমরা আপনাদের সঙ্গে ছিলাম। আমরা দেশ ও দেশের জনগণকে রেখে কোথাও চলে যাইনি। আমরা শত নির্যাতনের মধ্যেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম। আগামীতেও একসঙ্গে দেশ গড়ব ইনশাল্লাহ।

জামায়াত আমির বলেন, উত্তরবঙ্গকে নতুন করে গড়ে তুলব। আল্লাহ তাআলা দায়িত্ব দিলে আমরা প্রতিটি জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তুলব। পঞ্চগড়েও বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। যারা ভাবছেন এত টাকা কই পাব, দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে, তাদের পেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা বের করে আনা হবে। যদি আপনারা আমাদের সুযোগ দেন, তাহলে দেশ থেকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারদের টাকা পাচার রুখে দিব।

বক্তব্য শেষে তিনি পঞ্চগড়–১ আসনে জোটের প্রার্থী সারজিস আলমের হাতে শাপলা কলি প্রতীক ও পঞ্চগড়–২ আসনের প্রার্থী সফিউল আলমের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনের ১০ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম এবং পঞ্চগড়-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী সফিউল আলম। বক্তব্য দেন জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলম নয়নসহ ১০ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

রাশেদ প্রধান তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের ১০ দলীয় জোটের নেতা ডা. শফিকুর রহমান ছয় বছরের নিচে এবং ৬০ বছরের ওপরে বয়স্ক মানুষকে বিনা টাকায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন, ইনশাল্লাহ। ১০ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে পঞ্চগড় জেলার চিনিকল আবার জেগে উঠবে। তাই আপনাদের কাছে দাবি, পঞ্চগড়ের দুই আসনে শাপলা কলি ও দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

জাগপার মুখপাত্র আরো বলেন, আমাদের প্রথম ঈমানি দায়িত্ব গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়যুক্ত করা। দ্বিতীয় ঈমানি দায়িত্ব হলো, শাপলাকলি ও দাঁড়িপাল্লাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা।

সারজিস আলম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের ওই মানুষদের বয়কট করতে হবে, যারা দিনের বেলা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলে, কিন্তু রাতের বেলা মাদক বিক্রির লাভের ভাগ নেয়। দখলদার, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারিদের নির্বাচনে বয়কট করার আহ্বান জানান তিনি।

এনসিপির এই নেতা আরো বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে একটা ধাপ অতিক্রম করেছি। ২৬ সালের নির্বাচন নির্ধারণ করবে আমরা সামনে এগিয়ে যাব, নাকি আবার পেছনের দিকে ফিরে যাব! আমরা আবার চাঁদাবাজির দিকে ফিরে যাব নাকি চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়ব?

পঞ্চগড়-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী শফিউল ইসলাম বলেন, জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে, তাহলে আমি বেতন-ভাতা নিব না। এ অর্থ জনগণের জন্য ব্যয় করব। কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়মের বাইরে যেতে দিব না। জনগণের খাদেম হিসেবে জনগণের অধিকার বুঝিয়ে দিতে আমি আমার দায়িত্ব পালন করব ইনশাল্লাহ।

পঞ্চগড়ে জামায়াত আমিরের এই জনসভা ঘিরে চিনিকল মাঠে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। সমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই উপস্থিতি আশপাশের এলাকা ও ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কে ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল সকাল থেকে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা জেলার ৫টি উপজেলা থেকে মিছিলসহকারে মাঠে আসতে থাকেন। তবে জনস্রোত শুরু হয় নয়টার পর থেকে।

এর আগে শুক্রবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে তিনি পঞ্চগড় পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় নেতারা।

দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না

দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ ময়দানে নির্বাচনি জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে জুলাই না হলে, আজ আমরা এখানে এসে কথা বলতে পারতাম না। তাই আমরা চাঁদা নেব না, কাউকে চাঁদা নিতে দেব না। নিজেরা দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেব না। গতকাল জেলা ১০ দলীয় ঐক্য আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলব। আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই যেখানে ধর্মে ধর্মে সংঘাত হবে না। বাংলাদেশের টাকা চুরি করে বেগমপাড়া তৈরি করা হবে না। যারা টাকা চুরি করে বেগমপাড়া তৈরি করেছে, তাদের ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশের খাদ্যের তিন ভাগের এক ভাগ যোগান দেয় দিনাজপুর। এই দিনাজপুরে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা হবে। আলু ও লিচুর জন্য সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হবে। দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরিত করা হবে।

নারীদের মায়ের জাতি সম্বোধন করে তিনি বলেন, আমরা তাদের জন্য একসঙ্গে বাড়িতে ও চাকরিতে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করব। আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। একটি আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে চাই। টাকা দিয়ে যাতে বিচার কেনা না যায় সেই ব্যবস্থা করব।

তিনি বলেন, আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে অস্ত্রের ঝনঝনানি থাকবে না। মানুষ নিরাপদে চলাচল করবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে টিক চিহ্ন দিতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, দিনাজপুর-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মতিউর রহমান, দিনাজপুর-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ আফজালুল আনাম, দিনাজপুর-৩ আসনের প্রার্থী মাইনুল আলম, দিনাজপুর-৪ আসনের প্রার্থী আফতাব উদ্দীন মোল্লা, দিনাজপুর-৫ আসনে এনসিপির প্রার্থী ডা. আব্দুল আহাদ এবং দিনাজপুর-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম। সমাবেশে ১০ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীসহ দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলা থেকে আসা লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করা হবে

একইদিনে ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে । যা উৎপাদন হয় তার ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না। ইনসাফভিত্তিক সমাজব্যবস্থা থাকলে আপনারা নায্যমূল্য পাবেন এবং বাংলাদেশও সারাবছর তাজা ফসল পাবে। সারাদেশের ৬৪ জেলায় উন্নতমানের একটি করে হাসপাতাল তৈরি করা হবে। বঞ্চিত এলাকায় আগে দেওয়া হবে।

গতকাল শুক্রবার ঠাকুরগাঁও উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জেলাবাসীকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’- টিক দেওয়ার জন্য এবং ১০ দলীয় জোটকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তাদেরকেই নির্বাচিত করবেন, যারা বিদেশে বন্ধু তৈরি করবে প্রভু খুঁজবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা নির্বাচিত হলে তিনটি বিষয় নিশ্চিত করা হবে। প্রথমত, দুর্নীতি করব না, করতেও দেওয়া হবে না। দ্বিতীয়ত, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। বিচারে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা হবে না। যারাই অন্যায় করবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তৃতীয়ত, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাস করতে দেওয়া হবে না।

জামায়াত আমির আরো বলেন, একটি দল বেকার ভাতা দিতে চায়। আমরা বেকার ভাতা নয় যুবকদের কাজ দিয়ে সম্মানিত করতে চাই। আমরা আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য টেকনিক্যাল কাজ শেখাতে চাই। কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও পঞ্চগড়-১ আসনের এমপি প্রার্থী সারজিস আলম, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের প্রার্থী আব্দুল হাকিম এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী মিজানুর রহমান।

প্রথম তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব

রংপুরের নির্বাচনি জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, নদী জীবন ফিরে পেলে উত্তরবঙ্গ জীবন ফিরে পাবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে কার ভালো লাগবে, কার লাগবে না, এতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আপনারা আমাদের দায়িত্ব দিলে, উত্তরবঙ্গে প্রথম তিস্তাতেই কোদাল বসাব। গতকাল রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা চাই চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত, অসৎ ও প্রতারকমুক্ত বাংলাদেশ। কোনো অসৎ মজার মজার মিথ্যা ওয়াদা দিলে তাদের লালকার্ড দেখাবেন। আমরা বাংলাদেশকে প্রিয় গর্বের বাংলাদেশ হিসেবে তৈরি করতে চাই।

তিনি আরো বলেন, আমরা কোনো বেকার ভাতা দিতে চাই না। আমরা নারী-পুরুষকে কাজ দিতে চাই। আমরা দেশের নারী-পুরুষকে সম্পদে পরিণত করতে চাই। নারী কোন ধর্মের তা দেখা হবে না, যোগ্যতা অনুযায়ী মা-বোনদের সম্মানজনক কাজ দেওয়া হবে।

জামায়াতের রংপুর মহানগরীর আমির এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের প্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলাম, এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী আকতার হোসেন, শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা প্রমুখ।

জামায়াত আমিরের আজকের কর্মসূচি

উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনে আজ শনিবার সকাল সাতটায় রংপুরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে সকাল ১০টায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী, বেলা ১২টায় বগুড়া শহরে, বিকাল আড়াইটায় বগুড়ার শেরপুরে, বিকাল সাড়ে তিনটায় সিরাজগঞ্জ শহরে, বিকাল চারটায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া এবং সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় পাবনায় নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি। পরে সড়ক পথে রাতেই ঢাকায় ফিরবেন জামায়াত আমির।

প্রতিবেদনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন—পঞ্চগড় প্রতিনিধি হোসেন রায়হান, দিনাজপুর প্রতিনিধি মাহবুবুল হক খান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ফজলে ইমাম বুলবুল এবং রংপুরের অফিস প্রধান বাদশাহ ওসমানী।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন