প্রথমবারের মতো দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে বেশকিছু বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর অনভিজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে। নির্বাচনি প্রচারে নারীনীতি নিয়ে দলীয় অবস্থানের অপ্রস্তুতি বিষয়টি ভোটারদের দৃষ্টি এড়ায়নি। নারীদের ৫ ঘণ্টার কর্মঘণ্টার প্রস্তাবটি বাস্তবের সঙ্গে নীতিনির্ধারকের অসঙ্গতির প্রকাশ ছিল।
নির্বাচনের দিনেও পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। কোথাও কোথাও ভোট গণনার সময় জামায়াত ও এনসিপির পোলিং এজেন্টদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ বিএনপির সরকার গঠনের কয়েক দিনের মধ্যে জামায়াত আমিরের একজন উপদেষ্টার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অস্বাভাবিক চাকরির তদবির নিয়েও দলের ভাবমূর্তি যথেষ্ট ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
এ অবস্থায় জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে গিয়ে দল হিসেবে জামায়াতের অনভিজ্ঞতা কতখানি ভোগাবে, তা নিয়ে জনগণের মধ্যে আলোচনা চলছে।
দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীকে সবচেয়ে বেশি সুশৃঙ্খল ও শিক্ষিত জনশক্তি সমৃদ্ধ বলে মনে করেন অনেকেই। নানা ঘাত-প্রতিঘাত আর চরম প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দলটির বিরোধীদলের স্থান অর্জনে তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
তবে অভিজ্ঞতা ও প্রস্তুতির ঘাটতি না হলে ভোটের ফল আরো ভালো হতে পারত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিতর্কিত ব্যক্তিকে জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা নিয়োগ এবং সম্প্রতি তাকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগের সুপারিশ নিয়ে তুলকালাম ঘটনায় দলটির অদক্ষতা ও অসতর্কতার চরম নজির স্থাপিত হয়েছে। নতুন করে দলের ‘ফরেন অ্যাফেয়ার্স কনসালট্যান্ট’ হিসেবে আরেক বিতর্কিত ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও বেশ আলোচিত হচ্ছে।
জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে কয়েকজন নেতার বেফাঁস বক্তব্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। পাশাপাশি ডেপুটি স্পিকার পদ গ্রহণের বিষয়েও নেতাদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মতামত দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদে দলটির নির্বাচিত ৬৮ জন সদস্য নিয়ে বিরোধী দলে গেলেও সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় তারা কিছুটা সংকটে পড়তে পারেন—এমন আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।
সব মিলিয়ে জামায়াতে আসলেই দক্ষ লোকের অভাব, নাকি দক্ষদের খুঁজে যথাযথ স্থানে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা অদক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে। কিছু লোকের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে বিব্রত অবস্থার মুখোমুখি হওয়ার পাশাপাশি দলটির ইমেজ সংকট দেখা দিচ্ছে।
নির্বাচনি প্রচার চলাকালে নারীদের কর্মঘণ্টা ইস্যুতে একটি বক্তব্য নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হলে জামায়াত আমির বিভিন্ন সমাবেশে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরার চেষ্টা করেন। এটি প্রকৃতপক্ষে নারীবান্ধব ছিল বলেও দলটির অনেকে মনে করেন। এ বিষয়ে জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহারে বলা হয়েছিল, নারীদের সম্মান রক্ষা করে নিরাপদে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। মাতৃত্বকালে নারীদের সম্মতিসাপেক্ষে কর্মঘণ্টা পাঁচে নামিয়ে আনা হবে। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রতিপক্ষরা বেশ প্রতিবাদমুখর হওয়ার সুযোগ পেয়েছিল।
কিছুদিন আগে নিজের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে একটি চিঠি দেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলীয় নেতার দপ্তর থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, এ ধরনের পদায়নের মাধ্যমে বিরোধী দলের পররাষ্ট্রনীতির বিষয়গুলো সরকারের কাছে উপস্থাপন, তা পর্যালোচনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে। সেখানে তাকে ‘বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশও করা হয়। ওই পদায়নটি বাংলাদেশের সরকার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য নতুন ও অভিনব বলেও উল্লেখ করা হয়।
তবে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে এ নিয়ে ব্যাখ্যা দেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ঘটনাটি প্রায় দুই সপ্তাহ আগের। সে সময় প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান আমিরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কিছু অবস্থান স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠানোর দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি আমিরের নির্দেশনার বাইরে গিয়ে চিঠিতে কিছু অতিরিক্ত বিষয় যুক্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠান। বিশেষ করে চিঠিতে মন্ত্রীর পদমর্যাদা সংক্রান্ত যে অংশটি উল্লেখ ছিল, তা আমিরে জামায়াতের নির্দেশনার অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
বিষয়টি নজরে আসার পর গত ২ মার্চ ড. মাহমুদুল হাসানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান)কে বিরোধীদলীয় নেতার নতুন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ঘটনা ও জামায়াতের ব্যাখ্যা নিয়েও সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে। পতিত আওয়ামী সরকারের লোকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকায় আলোচিত মাহমুদুল হাসানকে জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা নিয়োগের শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত জামায়াত ও দলটির আমিরকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার মাধ্যমে সেই আশঙ্কারই প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করছেন অনেকে। অথচ বিষয়টি নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত ছিল বলে মত সংশ্লিষ্টদের। পাশাপাশি আমিরের অজান্তে তার নাম ব্যবহার করে এ ধরনের সুপারিশ পাঠানো হয়েছে—এমন দাবি অনেকের কাছে অযৌক্তিক মনে হয়েছে। তাদের মতে, এটি দলীয় ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা বা অদক্ষতারই বহিঃপ্রকাশ।
তাছাড়া চিঠিটি এমন সময়ে দেওয়া হয়েছে, যখন এ সরকারের ক্ষমতায় আসা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে দলটি। এমনকি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত থাকায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করে দেওয়া এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদেরও দাবি জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে, রাজনৈতিকভাবে জামায়াত বেশ বিব্রত অবস্থার মুখে পড়ছে।
এদিকে জামায়াত আমিরের সাবেক পররাষ্ট্রবিষয়ক এই উপদেষ্টার কুকীর্তির মধ্যেই আরেক শঙ্কা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিতর্কিত ব্যক্তি ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীকে ‘ফরেন অ্যাফেয়ার্স কনসালট্যান্ট’ নিয়োগের মধ্য দিয়ে। এক-এগারো সরকারের সময় নিজের বিতর্কিত ভূমিকার জন্য সাবেক এই কূটনীতিক বিভিন্ন সময়ে সমালোচিত হয়েছেন। গত ৫ মার্চ জামায়াতের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তিনি ঢাকায় সফররত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
জামায়াতের কিছু নেতার বেফাঁস কথাবার্তাও দলটিকে বেশ বিতর্কিত করছে। গত সংসদ নির্বাচনের আগে বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য চট্টগ্রামের সিনিয়র নেতা শাজাহান চৌধুরী এমপি এবং আলোচিত ধর্মীয় বক্তা কুষ্টিয়ার এমপি মুফতি আমির হামজাকে শোকজের মতো ঘটনা ঘটে। এছাড়া ডাকসু নিয়ে আপত্তিকর ও বেফাঁস মন্তব্যের জেরে বরগুনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শামীম আহসানকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন এলাকায় জামায়াত নেতাদের কিছু বিতর্কিত বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়ে। এগুলোর মাধ্যমে দলটি নতুন করে অদক্ষতার প্রকাশ ঘটাচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।
এদিকে জাতীয় সংসদের বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব দেয় সরকার পক্ষ। এই প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত নেতাদের একেক সময় একেক ধরনের বক্তব্য লক্ষ্য করা গেছে। প্রথমে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরে আবার বলা হয়েছে, এটি সরকারি দলের কোনো অনুকম্পা নয়, জুলাই সনদ অনুযায়ী বিরোধী দল থেকেই ডেপুটি স্পিকার দিতে হবে। সর্বশেষ সংসদ অধিবেশন উদ্বোধনের আগেরদিন প্রেস ব্রিফিংয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শুধু ডেপুটি স্পিকার নয়, আমরা জুলাই সংস্কারের পুরো প্যাকেজের বাস্তবায়ন চাই। শুরুতেই এ ধরনের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য আসায় সংসদীয় কার্যক্রমে জামায়াতের এমপিরা অভিজ্ঞ লোকের সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে সংসদে আদর্শ বিরোধী দলের যথাযথ ভূমিকা পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের এমপিরা। সংসদ শুরুর আগেই দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিরোধীদলীয় নেতার উপস্থিতিতে দফায় দফায় বৈঠক করে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। ১২ মার্চ উদ্বোধনী অধিবেশন ঘিরেও তাদের ব্যাপক প্রস্তুতি থাকায় কার্যকর ভূমিকা দেখাতে পেরেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেন।
এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরেও ব্যাপক প্রস্তুতির কথা শোনা গিয়েছিল জামায়াতের। বিশেষ করে সারা দেশে ভোটকেন্দ্র পাহারা এবং দক্ষ পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে ভোটের দিন বহু কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট না থাকাসহ নির্বাচন পরিচালনার কাজে নানা ব্যর্থতার অভিযোগ ওঠে দলের তৃণমূল থেকে। সর্বত্র পোলিং এজেন্ট এবং কেন্দ্রের বাইরে দলীয় লোকদের শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে পারলে অন্যরা যেমন ভোট কারচুপির কোনো সুযোগ পেত না, তেমনি জামায়াতের পক্ষে ভোট আরো বাড়ত বলে অনেকে মনে করেন। কিছু আসনে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন ছিল। এমনকি নির্বাচনি ঐক্যের কারণে শরিকদের দুর্বল প্রার্থীর সমঝোতাতেও বেশকিছু আসন হাতছাড়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।
এসব বিষয় নিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দীর্ঘদিন জামায়াতের অফিস বন্ধ করে রাখা হয়েছিল, শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। অনেককে জেলে রাখা হয়। দলের নিবন্ধনও বাতিল করা হয়েছিল। সে সময় শুধু একটি দলেরই নয়, নাগরিকদেরও স্বাভাবিক কোনো কাজের গ্যারান্টি ছিল না। এমন অবস্থায় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার স্বাভাবিক বিকাশ হয়নি।
তিনি বলেন, জামায়াত সব সময় দেশ-জাতির স্বার্থ বিবেচনায় আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না। তবে আমরা অসীম অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করি না, আমাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে। তার মধ্যেই ভালো কিছু করার চেষ্টা করি। কোনো সিদ্ধান্তে অসঙ্গতি থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করা হয় বলেও মন্তব্য করেন এই নেতা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

